বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয়, প্রচ্ছদ নভেম্বরেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু

নভেম্বরেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ৩০, ২০১৮ , ৪:১১ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়,প্রচ্ছদ


মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের নভেম্বরেই প্রত্যাবাসন শুরুর লক্ষ্য ঠিক করছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।

মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের তৃতীয় ও শেষ দিনের বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক বৈঠকে বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। অন্যদিকে মিয়ানমারের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থোয়ে।

গত বছর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচারে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢল শুরু হলে আন্তর্জাতিক মহল মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে চাপ দিতে থাকে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে গত বছর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে চুক্তি করতে বাধ্য হয় মিয়ানমার। তবে তখনো কবে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করা হবে তা ঠিক করা হয়নি। এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক হল।

বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে শহীদুল হক বলেন, ‘আমরা আশা করছি, নভেম্বরের মাঝামাঝি আমরা প্রত্যাবাসন শুরু করতে পারব। এটা হবে প্রথম গ্রুপ। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপে মিয়ানমারের দুই সদস্য বুধবার কক্সবাজারে যাবেন। তারা রোহিঙ্গাদের বোঝাবেন যাতে তারা যেন রাখাইনে ফিরে যায়ে। রাখাইনে তাদের নিরাপত্তা করার যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সে কথাও বলবেন।’

তিনি আরও বলেন,  প্রত্যাবাসন একটি জটিল প্রক্রিয়া।  তবে দুই দেশের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এ সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ সেভাবেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থোয়ে বলেন, ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে আন্তরিক ও খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। কিছু বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তও হয়েছে। উত্তর রাখাইন রাজ্যে কোনো ধরনের বৈষম্য যেন না হয়, সেজন্য স্থানীয় কর্মকর্তা আর পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যারা ফিরে যাবেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ আমরা সেখানে নিয়েছি।’

গত কয়েক দশক আগে থেকে এ পর্যন্ত ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে রয়েছেন। তবে চুক্তি অনুযায়ী আপাতত শুধু নতুন আসা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী ৭ লাখ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়। তবে মাত্র আট হাজার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে তালিকা যাচাই-বাছাই করতে দীর্ঘ নয় মাস কাটিয়ে দিয়েছে মিয়ানমার।

Comments

comments

Close