শনিবার, ৮ মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আজকের পত্রিকা, জীবন ধারা, ফিচার বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ভালোবেসেই জনপ্রতিনিধি: সফল ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ভালোবেসেই জনপ্রতিনিধি: সফল ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ২ | প্রকাশিত হয়েছে: মে ২৬, ২০১৯ , ১০:১৭ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আজকের পত্রিকা,জীবন ধারা,ফিচার


নিজস্ব প্রতিবেদক ,মোঃ সোহেল মিয়াঃ 

জীবন চলার পথ মসৃণ নয়, আসে নানান বাধা-বিপত্তি। সাহসী মানুষ এসব বাধা অতিক্রম করে আতœপ্রত্যয়ের ওপর ভর করে এগিয়ে যায়, সফলতা বয়ে আনে নিজের জীবনে। পাশাপাশি যুক্ত হয় সামাজিক কাজে, অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেন অন্যদের জন্য। এমনই একজন ব্যক্তি সফিকুল ইসলাম।সফিকুল ইসলাম ১৯৭০ সালে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।

বাবা সিরাজুল ইসলাম আর মা নূরুন্নাহার বেগম। সাত ভাই-বোনের মধ্যে সফিকুল ইসলাম সর্বকনিষ্ঠ। বাবা ছিলেন একজন প্রান্তিক কৃষক, মা ছিলেন গৃহিণী।

উপজেলার সাদা মনের মানুষ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, প্রয়াত দানবীর আলহাজ্ব ছফির উদ্দিন এমসি’র হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ। ইচ্ছে ছিল মানুষের কল্যাণে কাজ করার, এই অনুপ্রেরণায় সফল জনপ্রতিনিধি ও সকলের প্রিয় মানুষ। আর টানা দুই বার মেম্বার নির্বাচিত হয়ে তিনি সমস্ত ইউনিয়নে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড থেকে শুরু করে উপজেলার যেকোনো প্রান্তে মানুষের সমস্যায় উপস্থিত থেকে যে কোনো সৃষ্ট জটিলতা সফলতার সাথে সমাধানে এগিয়ে যান। তাই তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে সফিকুল ইসলাম এখন একটি আস্থার নাম, একটি ভরসার জায়গা। উপজেলার যেকোনো প্রান্তে মানুষের কোনো বিষয় নিয়ে সমস্যা তৈরী হলে সাধারণ মানুষজন সোজা চলে আসেন তার অফিসে। তিনিও উভয়পক্ষকে উপস্থিত রেখে উভয় পক্ষের সকল সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনার পর একটি সুন্দর স্থায়ী সমাধান করে দেন।

রাজনীতিতে বিশ্বস্ত থাকায় তার জায়গা ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা পরিষদের সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, গাজীপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট রহমত আলীর হৃদয়ে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তুলে ধরেছেন শ্রীপুর উপজেলা সহ নিজ এলাকা তেলীহাটি ইউনিয়নে।

১৯৯৪ সালে বিএনপি জোট সরকারের আমলে মিথ্যে মামলায় তালিকাভুক্ত করলে নিজ জন্মভূমি বাংলাদেশ ত্যাগ করে বিদেশের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান ইউপি সদস্য। পুনরায় প্রবাস জীবন থেকে ২০০১ সালে নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ফিরে এসে জনসেবা করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন করতে থাকেন। নিজ এলাকার মানুষ তাকে ভালবেসে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করতে বলেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করেন তবে বিএনপি সরকারের আমল থাকায় নির্বাচনের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং তার ভোটারদের ভোট দিতে বাঁধা দেওয়ায় মাত্র ১৩ টি ভোটে তিনি জয় লাভ করতে ব্যর্থ হন।

পরবর্তী ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে প্রতিদ্বন্ধিদের কে হারিয়ে তিনি জয়লাভ করেন অদ্যবধি পর্যন্ত তিনি সফল ইউপি সদস্য।

২০০৮ সাল থেকে ২০১৯ সাল এখন পর্যন্ত  তিনি  সফলভাবে তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তেলীহাটি ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সততা,ন্যায় নিষ্ঠার সাথে শ্রমিকদের অধিকার বাস্তবায়নে ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম। বর্তমানে টেংরা বাজার কেন্দ্রিয় মসজিদের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন ১৭ বছর যাবৎ, টেংরা বাজারের ইজারাদারের দায়িত্বে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে, বাজারের মুনাফার টাকা সম্পন্ন মসজিদের উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হয়। টেংরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ”র নির্বাচিত সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। টেংরা মধ্যপাড়া এতিমখানার দাতা সদস্যও তিনি। এছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রয়েছে তার। আর্থিক ভাবে অস্বচ্ছল অথচ মেধাবী তাদের পাশে বরাবরই দাঁড়ান এই সফল ইউপি সদস্য।

তিনি সব সময় জনকল্যানে কাজ করেন, জনগণের কথা বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ন্যায়ের পক্ষে সততার সাথে ও ন্যায়নীতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন মাদকের কুফল সম্পর্কে বিভিন্ন সময় সচেতনামূলক ক্যাম্পেইন করেছেন ।

ওয়ার্ডের অনেক গরীব ও দুঃস্থদেরসহ সামাজিক কাজে নিজ অর্থায়নে বিভিন্ন সময়ে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। এলাকার সামাজিক সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কাজেও সার্বিক সাহায্য করছেন।

সফল ইউপি সদস্য হিসেবে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন তিনি। যে সকল এলাকা দিয়ে মানুষ দিনের বেলায় যাতায়াত করতে পারতো না সে সব এলাকায় রাস্তা ও লাইটিং করে জনসাধারনের চলাচলের ব্যাপক সুযোগ করে দিয়েছেন। এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ও মাদকমুক্ত হয়েছে অনেকটাই তার হস্তক্ষেপে।ওয়ার্ডবাসীর এমন ভালবাসায় সিক্ত ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম।

Comments

comments

Close