শনিবার, ৮ মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, আইন ও বিচার, খুলনা বিভাগ, প্রচ্ছদ উলাশী নীলকুঠি পার্কের দখল করা জমি ফেরত পেতে এলাকাবাসীর মানবন্ধন

উলাশী নীলকুঠি পার্কের দখল করা জমি ফেরত পেতে এলাকাবাসীর মানবন্ধন


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ২ | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ৪, ২০১৯ , ৭:৪৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,আইন ও বিচার,খুলনা বিভাগ,প্রচ্ছদ


খোরশেদ আলম :

যশোরের শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলার, উলাশীতে নীলকুঠি ফ্যামিলি পার্কের মালিকের দখল করা। জমি ফেরত পাওয়ার দাবিতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। মানববন্ধন শেষে ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর, ভুক্তভোগী কয়েকশ মানুষের স্বাক্ষরিত লিখিত আবেদন দাখিল করেন। যার অনুলিপি স্থানীয় এমপি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর প্রেরণ করা হবে বলে। উক্ত ইউনিয়নের ইউপি সদস্য  আইনাল মেম্বার ও ফজলুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

জানা গেছে, শার্শা উপজেলার উলাশী গ্রামের আব্বাস আলীর পুত্র মিলন মেম্বার, তার ভাই পিপুল ও তার ছেলে আশিক, মতিয়ারের পুত্র শরিফুল, শহিদুলের পুত্র বাবলু দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছেন। এ ছাড়া এলাকার মিলন মেম্বর অসহায় ২২টি পরিবারের প্রায় ৬ একর জমি দখল করে ১০/১১ বছর আগে নীলকুঠি ফ্যামিলি পার্ক তৈরী করে ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছেন। একই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ইব্রাহিম হোসেনের প্রায় আড়াই বিঘা জমি ধখল করে চাষাবাদ করছে মিলন মেম্বার গং। জমির মালিকরা তাদের জমি ফেরত চেয়ে বিভিন্ন সময়ে মারধরের শিকার হয়েছেন। মিলন মেম্বারের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে ইতোমধ্যে কামরুজ্জামান, স্বপন, জাফর মাস্টার, ভ্যানচালক কালু, জুয়েলারি ব্যবসায়ী ফিরোজ হোসেন মারধরের শিকার হয়েছেন।
এ ছাড়া ওই পার্কে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ হওয়ায়। পার্কটি বন্ধ করারও দাবি করা হয়েছে উল্লিখিত লিখিত অভিযোগে। জানা গেছে, এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২৫ জুন মঙ্গলবার সকালে গ্রামের ইউপি সদস্য আইনাল মেম্বার, ভুক্তভোগী ফজলুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে ঝিকরগাছার মির্জাপুর গ্রামের জমির মালিকগণ তাদের জমিতে বেড়া দিতে যান। এ সময় মিলন মেম্বারের লোকজন গ্রামবাসীর ওপর হামলা করলে বেশ কয়েকজন আহত হন। পার্কে বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঝিকরগাছা ও শার্শা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Comments

comments

Close