শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, আইন ও বিচার, চটগ্রাম বিভাগ, প্রচ্ছদ মাছের সিন্ডিকেটের নাম ভাঙ্গিয়ে ইয়াবায় একমাত্র আয়ের উৎস চাকমার খুল সৈয়দ এর ।

মাছের সিন্ডিকেটের নাম ভাঙ্গিয়ে ইয়াবায় একমাত্র আয়ের উৎস চাকমার খুল সৈয়দ এর ।


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ২ | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ৮, ২০১৯ , ৭:১৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,আইন ও বিচার,চটগ্রাম বিভাগ,প্রচ্ছদ


 

,,,,,,,,,,ক্রাইম প্রতিবেদন এক,,,,,,,,,,,

কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে প্রায় অর্ধশত ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হলেও আইনের আওতায় আসেনি অনেক ইয়াবা কারবারিরা।

এছাড়া উখিয়া টেকনাফে গোয়েন্দা সংস্থার তালিকার বাইরেও রয়ে গেছে বহু মাদক কারবারি। তারা কতিপয় অসৎ সীমান্তরক্ষী ও পুলিশ ও ডি এস , ডি জি এপ আই কে, মাসোয়ারা দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের অবৈধ কারবার।

জানা যায়, উখিয়ার পালংখালী পাশ্ববর্তী কেরুনতলী চাকমার কুল টেকনাফ উপজেলার এলাকার সৈয়দ একজন ইয়াবা ডন হিসেবে পরিচিতি পেলেও তিনি বরাবরই অধরা রয়ে গেছেন।
বেশ কয়েকজন বাঘা বাঘা মাদক সম্রাটের গ্রেপ্তারের পরও নিজের অবস্থান টিকিয়ে সীমান্তে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। যার ফলে দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রকাশ্যে পাচার করছে হাড়িহাড়ি ইয়াবা। ধ্বংস হচ্ছে দেশ তথা দেশের যুব ও ছাত্রসমাজ। সে একবার ইয়াবা নিয়ে আটক হয়ে জেলও খেটেছিল।

হৃীলা ও পালংখালী থেকে ইয়াবা ব্যবসা করে গত কয়েক বছরে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। নামে বেনামে চাকমার খুল এলাকায় জায়গা জমি কিনে গাড়ি ডেকোরেশন এর দোকান সম্পত্তির মালিক হয়ে গেছেন। বর্তমান রয়ে গেছে হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ এর কাছে তার গাড়ি একটি গত কিছুদিন আগে লেদা সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদন এর সামনে মোটরবাইক এক্সিডেন্ট করে তিন জন নিহত হওয়ার গাড়িটির মালিক সেই কিন্তু কিছু দিন আগে হোয়াইক্যং কেরুনতলী চাকমার খুল অবৈধ পি উপ জায়গা দখল উচ্ছেদ ও দালান ভেঙে দেওয়া বাড়ি টা সৈয়দ এর গোপন সুত্রে জানা যায় সেই বাড়ি টিকিয়ে রাখতে অনেক প্রশাসন কে দুই লাখ সত্তর হাজার টাকা দিয়ে ও কাজ হয়নি এক মাত্র হোয়াইক্যং বনবিভাগ এর কর্মরতা অফিসর একজন সত্য মানুষ হিসেবে বাকি প্রশাসন টাকা খেয়ে নিরবে আছেন। অথচ দুয়েক আগেও সে পালংখালী মাছের বরফ ভাঙ্গার কাজ করতো মাছের সিন্ডিকেটের সাথে হাত মিলিয়ে ইয়াবা পাচারের মধ্যেমে বর্তমানে কোটি টাকার মালিক। কিন্তু মরণনেশা ইয়াবা ব্যবসার বদৌলতে আজ কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে মতে, সৈয়দ সম্প্রতি চাকমার খুল নির্মান করতে চেয়েছিলো কোটি টাকা ব্যায়ে বিলাশবহুল বাড়ী কিন্তু করতে পারেনি একমাত্র বিট কর্মরতার ৫০ হাজার টাকা ফেরত আসার কারনে এখনও অক্ষত অবস্থায় রয়েছে সেই ভাঙা বাড়ি। এছাড়া কক্সবাজারের কলাতলী এলাকায় ও হোটেলে তার ফ্ল্যাটের ব্যবসা আছে।

সূত্রমতে, তার একজন পাটনার জয়নাল নামে বর্তমানে কারাগারে বন্দী আছে এখন তার নেতৃত্বে পুরো উখিয়া টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন সিন্ডিকেট মোটা দাগের ইয়াবা লেনদেন ও পাচার কাজে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে এ কাজে পারদর্শী বিত্তহীন থেকে কোটিপতি হওয়া উক্ত সৈয়দ নিজেকে একজন মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়ে কালো টাকাকে সাদা করতে ব্যস্ত কিন্তু দুই বছর হবে বাহার ছড়া চরে যাচ্ছে না।

সচেতন অভিভাবকদের অভিমত, বর্তমান ভয়াবহ জঙ্গী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে যেসব কিশোর, যুবক জড়িয়ে পড়েছে, তাদের একটি অংশ মাদকাসক্ত ও মাদক পাচারের সাথে কোন না কোনভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মতে, কারা ইয়াবা পাচার করে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছে, তাদের সম্পর্কে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন সহ সমাজের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বা নজরদারির দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে, আগামী প্রজন্ম খুবই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়বে।

এলাকাবাসী আরো জানায়, সীমান্তের অপরাধজগত ও নানা অপকর্মের অন্যতম ইয়াবা ব্যবসায়ী সৈয়দ গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে ইয়াবা পাচারসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে। তাদের পেছনে কারা শক্তি জোগাচ্ছে তাদেরও খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। সরকার মাদক নির্মূলে খুবই কঠোর এবং বদ্ধপরিকর।

ফলে তারা যতই শক্তিশালী হোক না কেন ছাড় দেয়া হবে না। ইয়াবা ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আওতায় নিয়া আসা হবে বলে তিনি জানান

Comments

comments

Close