শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, আইন ও বিচার, চটগ্রাম বিভাগ, প্রচ্ছদ ইয়াবা গডফাদার সামসুউদ্দিন এখনও অধরা কোটি টাকার কাবিনের লালসা দিখিয়ে বন্ধুর বউকে নিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে।

ইয়াবা গডফাদার সামসুউদ্দিন এখনও অধরা কোটি টাকার কাবিনের লালসা দিখিয়ে বন্ধুর বউকে নিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে।


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ২ | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ৯, ২০১৯ , ১০:০৪ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,আইন ও বিচার,চটগ্রাম বিভাগ,প্রচ্ছদ


 ক্রাইম রিপোর্টার কক্সবাজার। 
টেকনাফ উপজেলা হোয়াইক্যং ইউনিয়ন  সীমান্তের অপরাধজগত ও নানা অপকর্মের অন্যতম যায়গায় হলো তুলাতলী প্রশাসনের এতো কড়াকড়ি নজর দেওয়ার পরও এখনও থেমে  আসছে না মরনাপন্ন ইয়াবা ব্যবসা গোপন সুত্রে খবর কে এই সামসু পুরো নাম সামসুউদ্দিন পিতা মৃত্যু আলী আকবর গ্রাম তুলাতলী মনিরঘোনা হোয়াইক্যং ১ নম্বর ওয়ার্ড তার অজানা কাহিনী বেরিয়ে আসলো  বছর খানিক আগে দুই বেলা ভাত যুগান্তর হতোনা এমনকি এলাকায় তার একটি বেডরেক্ট ও ছিলো কিন্তু এখন লাখ টাকার গেমস জোন আছেন তিনি রহস্য উৎগাঠন করতে গিয়ে স্হানীয় সুত্রে জানা যায় ইয়াবা তার মূল আয়ের উৎস।
সামসুউদ্দিনের ইয়াবার টাকার প্রভাবে হার মানিয়েছে তার বন্ধু আমির সাহেব কোরবান আলী বউ হাসিনা আক্তার   কে কোটি টাকা কাবিন দেওয়ার প্রোলবন দেখিয়ে তিন সন্তানর মা কে  বাগিয়ে নিয়ে এখন আন্ডারগ্রাউন্ডে লুকিয়ে  আছেন বর্তমানে কোরবান কান্নাকাটি বন্ধর জন্য অনেক ছুটাছুটি পরও কোন সুরাহা হয়নি। এইবিষয়ে টেকনাফ থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়ছে।  সামসুউদ্দিনের ইয়াবা কারবারি গুপ্তচর প্রমাণ থাকা সর্থেও প্রশাসন নিরবতা এবং তার উত্তর ভঙ্গের পাটির নাম উঠে আসে ক্রাইম  তদন্তে জদি প্রশাসন সামসু উদ্দিন গ্রেপ্তার করে বেরিয়ে আসতে পারে এই ইয়াবা গডফাদারের নাম জাকির হোসেন পাবনা বাবুল ঐ মনির ঐ মিরাজ ঐ আওয়াল ঐ সিরাজ মিয়া সবাই পাবনার কিন্তু প্রশাসন নিরবতার কারণে বেরিয়ে আসছে না এই সব গডফদার দের নাম এই বিষয়ে একটু প্রশাসন নজর রাখার জন্য উদাত্ত আহবান করেন স্হানীয় জন সাধারন।
গোপন সুত্রে আরও  জানা যায় ঘরে বসে থেকে কৌশলে সিএনজি গাড়িতে বাহন করে নিয়ে যায় কক্সবাজার ওখান থেকে গ্রীনলাইনে চলে যায় ঢাকা তার একজন বিশ্বাস্ত একজনের কাছে জানাযায়  গতবছর তার ভাইয়ের ছেলে সাহাব উদ্দিন পিতা সিরাজুল হক  ইয়াবা বাহন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন নতুন ব্রীজ বেশ কিছুদিন না কাটতে জামিনে বেরিয়ে আসে শুরু করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আসেন সফলতা কিন্তু এখনও থেমে নেই সামসুর ইয়াবা ব্যবসা ইয়াবার চালান চালিয়ে যাচ্ছে মরনাপন্ন ইয়াবা এখন সেই নিজে ব্যবাহার করেন নিজস্ব গাড়ি এখন জমি জমা বাড়ি সবকিছু হয়েছে।        প্রশাসনিক ভাবে নজর পড়েননি কিন্তু বিশেষ গোপন সুত্রে জানা যায় মুনির ঘোনাতে  তার বড় সিন্ডিকেট রয়েছে তাই এই সিন্ডিকেট ধরতে হলে সামসু  কে গ্রেফতারে বেরিয়ে আসতে পারে অনেক অজানা কাহিনী।
তুলাতলী  পাশে প্রকাশ ইয়াবা সামসু  ও তাঁর শীর্ষরা দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রকাশ্যে পাচার করছে হাড়িহাড়ি ইয়াবা। ধ্বংস হচ্ছে দেশ তথা দেশের যুব ও ছাত্রসমাজ। কিন্তু দেখার কেউ নেই। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবা কারবারী সামসু  দীর্ঘ দিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি একটি বৃহত্তর সিন্ডিকেট তৈরি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লাখ লাখ পিস ইয়াবার চালান পাচার করে সিএনজি দিয়ে। হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। উল্লেখিত গডফাদাররা ইয়াবার কালো টাকার পাহাড়ের গরমে এলাকার সাধারন নিরহ লোকজন অসহায়।
শুধু তাই নয়, বিভিন্ন স্থানে শতাধিক গডফাদারের নেতৃত্বে পুরো হোয়াইক্যং সীমান্তের অন্তত ১০টি সিন্ডিকেট মোটা দাগের ইয়াবা লেনদেন ও পাচার কাজে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সচেতন অভিভাবকদের অভিমত, বর্তমান ভয়াবহ জঙ্গী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে যেসব কিশোর, যুবক জড়িয়ে পড়েছে, তাদের একটি অংশ মাদকাসক্ত ও মাদক পাচারের সাথে কোন না কোনভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তাদের মতে, কারা ইয়াবা পাচার করে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছে, তাদের সম্পর্কে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন সহ সমাজের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বা নজরদারির দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে, আগামী প্রজন্ম খুবই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়বে। টেকনাফ থানা অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি টেকনাফ থানা ইয়াবা মুক্ত সমাজ করে যাবো বলেন সেই যে হোক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আওতায় নিয়া আসা হবে বলে তিনি জানান।

Comments

comments

Close