মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন ধারা, প্রচ্ছদ, বিভাগীয় সংবাদ, শিক্ষাঙ্গন কালিয়াকৈরের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

কালিয়াকৈরের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ৪ | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৪, ২০১৯ , ১০:৫৮ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জীবন ধারা,প্রচ্ছদ,বিভাগীয় সংবাদ,শিক্ষাঙ্গন


কালিয়াকৈর প্রতনিধি ঃ

গত ২৮ জুন ২০১৯ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার বিভিন্ন নিউজ পোর্টালসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “কালিয়াকৈর বড়ই বাড়ী এ.কে. ইউ.ইনস্টিটিউশন ও কলেজের অধ্যক্ষের ধমকে অফিস সহকারীর হার্ট-এ্যাটাক” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে।

যা সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ঐ দিন গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বড়ইবাড়ী এ কে ইউ ইনস্টিটিউশন এন্ড কলেজের অফিস কক্ষে এমন ঘটনা ঘটেনি। আবদুল মালেক মিয়া প্রতিষ্ঠানটির অফিস সহকারী পদে কর্মরত বটে। তবে তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ ধরে তার দায়িত্ব পালনে অবহেলা করছেন। আমি বার বার বলার পরও তাকে তার দায়িত্ব পালন করাতে পারছিনা।

গত মঙ্গলবার সকালে একজন শিক্ষার্থীর প্রশংসাপত্রের জন্য মালেকের কাছে গেলে তিনি তা লিখে দিতে অপারগতা স্বীকার করে। ঐ শিক্ষার্থী এসে আমাকে বললে আমি মালেকের রুমে গিয়ে তার দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি বুঝাতে চেষ্টা করলে মালেক আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়। আমি অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসাবে একজন অফিস সহকারীর দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে শিক্ষার্থীকে প্রশংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে চলে আসি।

ইতিমধ্যে মালেক আমার অফিসে এসে একটি সাজানো-পাতানো হিসাবে স্বাক্ষর চাইলে হিসাবটি পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করে দিবো বললে মালেক আবারও আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তার রুমে চলে যায়। প্রতিষ্ঠানের ছুটির পর হঠাৎ জানতে পারি মালেক বাড়ীতে গিয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন। পরিবারের সদস্য তাকে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করলে আমি তাকে হাসপাতালে দেখতে যাই এবং ডাক্তারদের সাথে কথা বলে তাহার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করি। আব্দুল মালেক মিয়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলে আমি কলেজের অন্যান্য শিক্ষকদের নিয়ে তাকে দেখতে তার বাড়ীতে গেলে তিনি আমাকে আবারও অপমানিত করেন।

এমতাবস্থায় আমি বারং বার নিরব থাকলেও মালেক আমার রিরুদ্ধে নিউজ পোর্টালসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার নামে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত খবর প্রচার করে। আমি উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মো:সোলায়মান সিকদার,, অধ্যক্ষ,বড়ইবাড়ী এ কে ইউ ইনস্টিটিউশন এন্ড কলেজ। কালিয়াকৈর,গাজীপুর।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : ভুক্তভোগী মালেক মিয়ার অভিযোগ ও একাধিক সূত্রে খোঁজ নিয়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। তাই সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে অধ্যক্ষ যে দাবি করেছেন, তা পুরোপুরি অযৌক্তিক।

এ ছাড়া একজন কর্মচারী দীর্ঘদিন দায়িত্বে অবহেলা করলে যেখানে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা, সেখানে অধ্যক্ষের নিরবতা পালন করে ক্ষিপ্ত হওয়া বা সাজানো হিসাবের অভিযোগ উত্থাপন বোধগম্য নয়। এছাড়া অধ্যক্ষ যে ঘটনা উত্থাপন করলেন তা কেবল রুপকথার গল্পের সামিল।

Comments

comments

Close