বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, জাতীয়, তথ্য প্রযুক্তি, বিভাগীয় সংবাদ, বিশেষ প্রতিবেদন, শিক্ষাঙ্গন কাপাসিয়া কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

কাপাসিয়া কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ৪ | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ৩১, ২০১৯ , ৯:৪৪ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,জাতীয়,তথ্য প্রযুক্তি,বিভাগীয় সংবাদ,বিশেষ প্রতিবেদন,শিক্ষাঙ্গন


বিশেষ প্রতিবেদক ঃ

গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলাধীন কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়টি সুনামের সহিত পাঠদান করে আসছে। অত্র বিদ্যালয় হইতে পড়াশুনা করে অসংখ্য ছাত্র/ছাত্রীরা সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত আছেন। বেশ সুনামের সাথেই চলছিল বিদ্যালয়টি। কালের পরির্বতনের সাথে সাথে বিদ্যালয়টি বেশ কিছুুর পরিবর্তন হয়েছে।

একাধিক অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন (ইনডেক্স নং- ৩৪৩৫৮১) ও ব্যবস্থপনা কমিটির কয়েক জনের পরষ্পর যোগসাজসে “শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য অতিরিক্ত সৃজিত শ্রেণীবিভাগ শাখা খোলার দুর্ণীতি অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য ভূয়া সার্টিফিকেটে নিয়োগ প্রদান, এম.পি.ও করানোর নামে বাণিজ্য, এমনকি স্থানীয় সাংসদ বঙ্গতাজ কন্যা গাজীপুর -৪ আসন সিমিন হোসেন রিমি, এম.পির স্বাক্ষর জাল করা সহ নানাবিধ দুর্ণীতির সুতিকাগার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে”।

দুর্ণীতি বাজ প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন এর নিয়ম বর্হিভূত নিয়োগের বিরুদ্ধে গাজীপুর জর্জকোর্ট মামলা চলমান, মামলা নং-৮৯/২০১২ইং ৩০/০৪/২০১৮ইং তারিখে একজন অভিযোগকারীর তথ্য মতে ভূয়া সৃজিত শ্রেণী শাখা: শুধুমাত্র কাগজে কলমে বাস্তবে কিছুই নাই। অর্থের বিনিময়ে বোর্ডের বিদ্যালয় পরির্দশক এর অফিস সহকারী শাহীন এর মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা কর্তৃক মিত্যাকে সত্যরুপে সাজিয়ে গুছিয়ে সরকারের কোষাগার হইতে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্বসাৎ।

অতিরিক্ত শ্রেনী শাখার সৃজিত দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কে বোকা বানিয়ে বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত শাখাগুলো হলো, ৬ষ্ঠ খ ও ৭ম খ মোট দুটি শাখা যার তাং-২৮ মে-২০১৩ইং অনলাইন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় দুর্ণীতিবাজ প্রধান শিক্ষক পরষ্পর যোগসাজসে একই তারিখ ও সনের ৬ষ্ট খ এর স্থলে ৮ম, গ এবং ৭ম খ এর স্থলে ৯ম খ মোট দুটি শাখা খোলার কাগজ বানিয়ে টেম্পারিংকরে মোট ৪টি অতিরিক্ত শাখায় মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ করেন।

অপর দিকে শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুমোদন প্রাপ্ত ৮ম খ অতিরিক্ত শ্রেনী শাখা ১টি যা বৈধ ও সঠিক যার তাং ১ মার্চ ২০১৫ইং সেখানে ও বোর্ড কর্তৃপক্ষকে বোকা বানিয়ে একই তারিখে ৮ম, খ, এর স্থলে ১০-খ, লেখা হয় এবং আর ও ২জন শিক্ষক নিয়োগ করাহয়।

অথচ বোর্ডের চেয়ারম্যান এর আর্দেশক্রমে জনাব আতাউর রহমান খান বিদ্যালয় পরির্দশক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা কর্তৃক স্বাক্ষারিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ১৭/০৭/২০০০ ইং সালের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৫/০৯/২০০০ উপ পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষারিত ০১/০১/২০০০ ইং হইতে ৬ষ্ঠ, খ, ও ৭ম, খ অতি: শ্রেণী শাখা খোলার অনুমতি প্রদান করা হয়।

অন্য দিকে বিদ্যালয় পরির্দশক আতাউর রহমান খান স্বাক্ষারিত তাং ৩১-১০-২০০৫ নং ২৯৯ (গ) গাজী/৫৮৮৩ অফিস আর্দেশ উপযুক্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলাধীন কাপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে ০১/০১/২০০৫ ইং তারিখ হইতে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেনীতে খ এবং ৮ম শ্রেণীতে খ শাখা খোলার অনুমতি প্রদান করা হল। উক্ত আদেশ পত্রটি সত্যায়িত করেছেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন তারিখ ১৭-১২-২০১৫ইং। এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ পাওয়া যায়, সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী ১৯৯৭ সালের পূর্বে স্নাতক ৩য় বিভাগে পাশ করেন। ২৪/১০/১৯৯৫ ইং তারিখে নীতিমালা অনুযায়ী, এস.এস.সি। এইচ.এস.সি ও স্নাতক এ যে কোন একটি ৩য় বিভাগে হলে তিনি শিক্ষকতা পেশায় নিয়োগ পাবেন না।

তিনি মিথ্যা দু-নম্বরীর আশ্রয় নিয়ে তার প্রাপ্ত ৩য় বিভাগকে ২য় বিভাগ দেখিয়ে দামুয়ার চালাএ.ডি ইউ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা কাপাসিয়া গাজীপুর এ চাকুরী করেন জাল সার্টিফিকেট দিয়ে এখানেই শেষ নয়, তৎকালিন ডিজিকে ম্যানেজ করে এম.পি ও ভূক্তি ও হন। তার শিক্ষকতার শুরুটাই ছিল বিসমিল্লাহ্ই গলদ। দুর্নীতির উচ্চ শিখরে থেকেই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির কতিপয় আওয়ামী যুবলীগ নাম ধারী দুর্নীতিপরায়ন দের পরষ্পর যোগসাজসে বহাল তরিয়তে দাপটের সহিত জাল জালিয়াতি সহ একের পর এক দুর্নীতি করে যাচ্ছে যা দেখার কেউ নাই।

কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের আরও এক শিক্ষক জনাব আব্দুল বারী ইনডেক্স নং- ২৮৩৮৬০, (কৃষিশিক্ষা) তিনি ০১/০১/১৯৯৬ সালে যোগ দানকরে বি.এড ও টাইম স্কেল গ্রহন করেছেন যা বিধিবহির্ভূত। সহকারী পরিচালক জনাব সবুজ আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছিল কৃষি শিক্ষক আব্দুল বারী বি.এড স্কেলে বেতন প্রাপ্য নয়, তিনি নিম্ন স্কেলে বেতন প্রাপ্য বিধি অনুযায়ী। ২০১৮ সালের পূর্বে তিনি বি.এড স্কেলে যত টাকা সরকারী কোষাগার থেকে উত্তোলন করেছেন তা দু-নম্বরী ও প্রতারণার সামিল। অতিঃ উত্তোলিত অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা দিতে হবে।

এদিকে সহকারী মৌলভী শিক্ষক জনাব রফিকুল ইসলাম, ইনডেক্স নং- (৩৩৮৫৮২) এর বিরুদ্ধে ও অভিযোগ পাওয়া যায়, তিনি সুলতানপুর মামুনিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় এবতেদায়ী প্রধান হিসেবে যোগদান করে এমপি ও কপি টেম্পারিং করে এন টি আরসি এ সনদ ছাড়া মোটা অংকের টাকা দিয়ে অবৈধ ভাবে ২০০৯ সালে সনমানিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এবং সেখানে ১০ম গ্রেডে বেতন উত্তোলন করেন যা বিধি বর্হিভূক্ত। ২০১২ সালে কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে একই ভাবে নিয়োগ পান পরষ্পর যোগ সাজসে, নেপথ্যে সেই প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন ।

আসমা আক্তার, ইনডেক্স নং- (১০৬৮৫৫২) (আইসিটি) শিক্ষক, তিনি এন টি আর সি এ সনদ জাল করে এবং বেসরকারী কম্পিউটার সনদ টেম্পারিং করে ২০১২ সালে বিধি ভঙ্গ করে পরষ্পর যোগ সাজসেনিয়ম বহিভূত ভাবে শিক্ষাকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন। জানা যায় তিনি আমরাইদ যুব উন্নয়ন একাডেমী থেকে সনদ নিয়ে এমপিও ভুক্ত হন। পরবর্তীতে রেজাউল হক মহিলা কলেজ থেকে ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট অনলাইনের সংযোজন করেন।

জেলা শিক্ষা অফিসারের চিঠির স্মারক নং গাজী/শি/২০১৮/-৮৯৪ কে ৮১৪ বানিয়ে বিদ্যালয় পরির্দশক এর উচ্চমান সহকারী মিঃ শাহীন এর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক কারসাজি করে থাকেন। খোঁজ নিয়ে আরোও জানাযায় উচ্চমান সহকারী মিঃ শাহীন রাতারাতি অগাধটাকার মালিকবনে গেছেন। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। ০৪/০৪/২০১৯ তারিখে ৬১৯ (৪) ও ৬২০ (২) এর ২নং পত্র পরিবর্তন করে ৬০২০ (২) নং পত্র বানিয়ে শাহিনের মাধ্যমে জমা দেন। বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী এই স্মারকে কোন চিঠি পাওয়া যাইনি।

“প্রধান শিক্ষক মুহাম্মাদ আফজাল হোসাইন এর সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ- ১৯৯৭ সালে দামুয়াচালা এ.ডি.ইউ বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় কৃষি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন”।

সেখানেই তিনি দু-নম্বরী করে চাকুরী জীবন শুরু করেন। ডিগ্রী পাস করেন তৃতীয় বিভাগে, সার্টিফিকেট টেম্পরিং করে তৃতীয়কে ২য় বিভাগ বানিয়ে এবং ঐ নকল সার্টিফিকেট দেখিয়ে ১৯৯৭ সালে প্রশাসনের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে প্রথম এম.পিও ভূক্ত হন কৃষি শিক্ষক হিসেবে যা ২৪/১০/১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী তৃতীয় বিভাগ শিক্ষকতা পেশায় অযোগ্য। এরপর ২০০২ সালে পূর্বে সুক্ষ-কারচুপির নথি বাদ দিয়ে কাপাসিয়া হরিমজুরী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এবং বিধি বর্হিভূত বি.এড স্কেলসহ পুনরায় এম.পিও ভূক্ত হন।

বিধি মোতাবেক সহকারী শিক্ষিক (কৃষি) বি.এড স্কেল প্রাপ্য নয়। ২০০৯ থেকে ২০১২ সালে নাসেরা উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী প্রধান হিসেবে ছিলেন। নিয়ম বর্হিভূত ভাবে ২০১২ সাল হইতে প্রধান শিক্ষিক হিসেবে কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যবতি বহাল তরিয়তে আছেন। ইতিমধ্যে শিক্ষিক নিয়োগ বানিজ্য এম.পি সংসদ সদসের স্বাক্ষর জাল, জালিয়াতি শিক্ষকদের এম.পি ও করানোর নামে বানিজ্য অতিরিক্ত শ্রেণী শাখা খোলার অফিস আদেশ টেম্পারিং জাল, জালিয়াতি। কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় বিরুদ্ধে দূর্নীতির ও জাল জালিয়াতির অভিযোগ সম্পর্কে জেলা শিক্ষা অফিসার বলেন এ ব্যাপারে ডি.জি মহোদয়ের সঙ্গে কথা বললে বিস্তারিত জানতে পারবেন, তিনি আর ও বলেন একাধিক অভিযোগ আমার কাছেও এসেছে সেগুলো যাচাই বাছাই হচ্ছে তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আফজাল হোসাইন এর সঙ্গে মুঠো ফোনে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ১৯৯৭ সালে তৃতীয় বিভাগ ডিগ্রী পাস সার্টিফিকেটের বলে জয়েন করেছি। তাতে আপনার কি? অভিযোগ সত্য নাকি মিথ্যা জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনে ক্ষিপ্ত হয়ে যান এবং বলেন সত্য মিথ্যা যাচাই বাচাই করার আপনি কে?

প্রতিবেদক কে বলেন আপনি ঘোড়ার ডিম জানেন বলে, ফোন কেটে দেন। অপর দিকে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলার পর ১২.৩৩ মিনিটে তাং ২৭/০৭/২০১৯ কুর্কমের যোগসাজস কারী বিদ্যালয়ের সভাপতি, সোহেল রানা সোহেল প্রতিবেদকের মোবাইল নম্বরে কলদিয়ে হুমকি স্বরুপ বলেন, আপনার নাম পরিচয় কি? কোথায় থাকেন? কোন পত্রিকায় কাজ করেন? যথাযথ উত্তর দেওয়ার পর বলেন আপনার চেয়ে বড় বড় পত্রিকার সাংবাদিক ১০-২০ টা আমার পকেটে থাকে। তুমি যা পারো তাই করোগা আমাদের কিছু যায় আসেনা এরকম বহু দেখছি।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে হেইমিয়া হেইমিয়া বলে ফোন কেটে দেন। প্রতিবেদক পুনরায় ১২.৫৩ মিনিট তাং-২৭/০৭/২০১৯ ইং এ অভিযোগ সম্পর্কিত তথ্য জানতে চাইলে আবার ও হুমকি দিয়ে ফোন কেটে দেন।

১৩/১১/২০১১ ইং তারিখে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে প্রজ্ঞাপনে সুস্পষ্টভাবে আদেশ দেওয়া হয়েছে। উক্ত আদেশের পরে সৃজিত অতিরিক্ত শ্রেণী শাখা খোলা হলে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে, কিন্তু এম.পিও হবেনা পরর্বতী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।

গাজীপুর কাপাসিয়া উপজেলায় কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি দৈনিক একুশের বাণী নির্বাহী সম্পাদক কে বলেন, ২০১২ সালে গাজীপুর জেলা জজ কোর্টে মামলা নম্বর ৮৯/২০১২ মিথ্যা বলে স্বীকার করেন এবং কি তার বিরুদ্ধে কোটি টাকার অভিযোগে “স্থানীয় সাংসদ স্থানীয় সাংসদ গাজীপুর ৪ আসনের সিমিন হোসেন রিমি স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতি করে দেড়কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে। সে বিষয়ে জানতে পেরে স্থানীয় সাংসদ সংবাদ সম্মেলন করে বলেন আমার স্বাক্ষর জাল জালিয়াতি করে এ ধরনের কাজ করা হয়েছে আমি জানি না”।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আফজাল হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এই অভিযোগ সত্য নয় বলে তিনি জানান।

Comments

comments

Close