মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চটগ্রাম বিভাগ, প্রচ্ছদ, ব্যবসাবাণিজ্য পালংখালী বাজারে জমে উঠেছে পশুর হাট বিক্রেতা বেশি ক্রেতাকম।

পালংখালী বাজারে জমে উঠেছে পশুর হাট বিক্রেতা বেশি ক্রেতাকম।


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ২ | প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২, ২০১৯ , ৮:০৮ অপরাহ্ণ | বিভাগ: চটগ্রাম বিভাগ,প্রচ্ছদ,ব্যবসাবাণিজ্য


নুরুল বশর কক্সবাজার উখিয়া।   
উখিয়া উপজেলার সর্ববৃহৎ পালংখালী বাজারে শুক্রবার পশুর হাটে জমজমাট শুরুতে বেচাকেনা কম।
হয়েছে।তবে হাটে কোরবানির পশু
আসছে বেশি ।এ বছর কোরবানির হাটে
বিদেশী গরুর আমদানি কম হওয়ায়
দেশী গরুর চাহিদা বেড়ে গেছে।আর এ
সুযোগে গরুর চড়া দাম হাঁকছেন
ব্যবসায়ীরা
গতকাল  শুক্রবার পালংখালী বাজারে বিরাট
হাট বসেছিল।বাজারে বিরাট গরু-ছাগলের
হাট বসে। এসব হাটে বিদেশী গরুর ছেয়ে  দেশী গরুতে ভরপুর বলে সংশ্লিষ্ট
বাজার ইজারাদাররা নজরুল  জানান।
গত কিছুদিন ধরে পালংখালী বিদেশী
গরু আসার হার কমে গেছে।স্বাভাবিক
সময়ে যে হারে গরু পালংখালী আসত
কোরবানি উপলক্ষে সে পরিমাণের গরু
আসছে না।
স্থানীয় খামারিরা
হাটে যেসব দেশী গরু তুলছেন তার চড়া
দাম হাঁকছেন।গত ২-৩ দিন গরু কিনতে
অনেকেই বাজারে গেলেও অধিকাংশ
ক্রেতা গরু না কিনে ফিরে যাচ্ছেন।
পালংখালী গরুর বাজারে কোরবানির গরু
কিনতে আসা ক্রেতা পালংখালী মামুন নিলয় এবং তৌহিদুল আলম হৃদয়  , বাজারে বিদেশী গরু
কম।তবে দেশী গরু বেশি উঠলেও
বিক্রেতারা অনেক বেশি দাম
হাঁকছেন।এতে সাধ্যের মধ্যে কোন
হিসাব মিলছে না।
তিনি বলেন,গত বছর যে গরু ৩৫ হাজার
টাকায় বিক্রি হয়েছে সে গরু এ বছর ৪৫
হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।গরুর দাম
না কমলে মধ্যবিত্ত অনেক
পরিবারকেই কোরবানি দিতে
হিমশিম খেতে হবে।
পালংখালী বাজারের ইজারাদার মোঃ আবুল মনজুর  জানান, চড়া দামের কারণে অনেক
ক্রেতারা শুক্রবার সাপ্তাহিক
গরুর হাটের দিন গরু দেখেই ফিরে
গেছেন। বাজারে ওইদিন প্রচুর গরু
উঠলেও তেমন বেচাকেনা হয়নি।
তবে আগামী শনিবার থেকে পুরোদমে
বেচাকেনা শুরু রবিবার থেকে হবে বলে জানান।
তবে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কোন বাজার না থাকায় পালংখালী বাজারে যানজট সৃষ্টি হয়েছে গরুর বাজার রাস্তার উপরে হওয়ায় যেই পরিমাণ গরু বিক্রি হয়েছে তা রোহিঙ্গা কিনেছে কোরবানির গরু
এ ছাড়া হাট
পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে
প্রতিটি হাটে আসা ক্রেতা-
বিক্রেতাদের জন্য রাখা হয়েছে
বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঈদের
আগের দিন পর্যন্ত বাজারে গরুর হাট বসবে।

Comments

comments

Close