বুধবার, ৩ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, ঢাকা বিভাগ, প্রচ্ছদ, প্রশাসন, বিশেষ প্রতিবেদন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ভুয়া দলিল তৈরি করে সাংবাদিকের কাছে পুলিশ কনস্টেবল হাসনাতের চাঁদা দাবী।

নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ভুয়া দলিল তৈরি করে সাংবাদিকের কাছে পুলিশ কনস্টেবল হাসনাতের চাঁদা দাবী।


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ২ | প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৯, ২০১৯ , ৩:৪৯ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,ঢাকা বিভাগ,প্রচ্ছদ,প্রশাসন,বিশেষ প্রতিবেদন


গাজীপুর প্রতিনিধি:
গাজীপুরে জুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রক পুলিশ কনস্টেবল হাসনাতের কোটিপতি হওয়ার কাহিনী-পর্ব-১
নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ভুয়া দলিল তৈরি করে সাংবাদিকের কাছে পুলিশ কনস্টেবল হাসনাতের চাঁদা দাবী।
 গাজীপুর এসপি অফিসে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল হাসনাত ও তার সঙ্গীয় সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্র গাজিপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা দৈনিক মুক্তালোক পত্রিকার সহকারি সম্পাদক এবং জনপ্রিয় নিউজপোর্টাল এইচএমনিউজ২৪. কম এর বিশেষ প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ এর সই জাল করে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে জমির দলিল্ তৈরি করে পুলিশি ভয়ভিতী দেখিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা হলে ও পরিবার-পরিজন নিয়ে গাজীপুর শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। পেশাগত ভাবেই গাজিপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে কর্মরত কনস্টেবল হাসনাতের সাথে তার পরিচয়। সে সুবাদে সংবাদকর্মী হিসেবে আবুল কালাম আজাদ অন্যান্যদের ন্যায় পুলিশ কনস্টেবল হাসনাতের সাথে ও পেশাগত আচরণ অব্যাহত রাখেন। সহজ সরল নম্র ও ভদ্রস্বভাবের আবুল কালাম আজাদ কে প্রতারণার টার্গেট করেন কনস্টেবল হাসনাত।
বিভিন্ন সময় হাসনাত আবুল কালাম আজাদের সাথে ঘনিষ্টভাবে মেলামেশার চেষ্টা করে, এক পর্যায়ে গত বছর উক্ত পুলিশ কনস্টেবল সাংবাদিক আজাদকে অনুরোধ করে বলেন, “আমার শাশুড়ির কাছ থেকে আমি ৬ লাখ টাকা নিয়েছিলাম গাজিপুরে জমি কিনবো বলে কিন্তু আমি ঝুট ব্যবসা করতে গিয়ে টাকাটা বিনিয়োগ করেছি এখন আমার শাশুড়িকে জমি কিনেছি মর্মে একটা ভুয়া দলিল দেখাতে পারলে আমাকে শাশুড়ির টাকাটা এখন ই ফেরত দিতে হবেনা তাই আমাকে একটু সাহায্য করেন আমি নোটারি করে একটা স্টাম্পে দলিল লিখে শাশুড়িকে দেখাবো” তখন সাংবাদিক আজাদ এই অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হলে ধুরন্দর চতুর লোভী পুলিশ কনস্টেবল নিজেই সাংবাদিকের নাম ঠিকানা সুকৌশলে সংগ্রহ করে একটি ভুয়া দলিল তৈরি করে নোটারি পাবলিকের সিল সই নকল করে তার শাশুড়ির টাকা আত্নসাতের নাটক করে।
পরবর্তিতে উক্ত কনস্টেবল সেই জাল দলিল তার ঘনিষ্ট এক পুলিশ কর্তার সাহায্যে সাংবাদিক কে হয়রানির চেষ্টা করিলে বিষয়টি সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ পুলিশের অপরাধ বিভাগে লিখিত অভিযোগ জানালে গাজিপুর জেলার বাসন থানাতে ওসি মোক্তার হোসেন এর মাধ্যমে আপোষ মিমাংসা করে নিষ্পতি করেন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উক্ত কনস্টেবল হাসনাত গাজিপুর জেলার সাবেক এসপির গাড়ি নিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করেছে,এছাড়া গার্মেন্টস জোন বলে পরিচিত গাজিপুরের বিভিন্ন গার্মেন্ট ও সোয়েটার ফ্যাক্টরির ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রকের ভুমিকা পালন করে উক্ত পুলিশ কনস্টেবল হাসনাত।
গত একসপ্তাহ থেকে উক্ত হাসনাত সাংবাদিক আজাদকে তার সাথে দেখা করার জন্য পিড়াপিড়ি করতে থাকে কিন্তু সাংবাদিক আজাদ কনস্টেবল হাসনাতের সাথে দেখা করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে হুমকি দিয়ে বলে আমার জরুরি ২ লাখ টাকা দরকার। এটা না দিলে সেই কথিত ভুয়া দলিলের দোহাই দেখিয়ে বলে ২ লাখ টাকা চেয়েছি ভালোই ভালো না দিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে ৬ লাখ টাকা আদায় করে নিবো।
পুলিশ কনস্টেবল হাসনাতের অপকর্মের বিরোধিতা করলেই- তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিচ্ছেন উক্ত পুলিশ কনস্টেবল হাসনাত। পুলিশ কনস্টেবল হাসনাতের সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৫৩১৯৫৩০৪১ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন। আমার ব্যাপারে কোন কিছু জানতে হলে আমার সাথে দেখা করুন।
—-চলবে

Comments

comments

Close