মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, প্রশাসন, বরিশাল বিভাগ, শোক, সাক্ষাৎকার কাঠালিয়া তালগাছিয়া মারুফ হত্যার জড়িত শশুর বাড়ীর লোক অভিযোগ তার পরিবার

কাঠালিয়া তালগাছিয়া মারুফ হত্যার জড়িত শশুর বাড়ীর লোক অভিযোগ তার পরিবার


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ৪ | প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২৩, ২০১৯ , ৭:০৯ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,প্রশাসন,বরিশাল বিভাগ,শোক,সাক্ষাৎকার


মোঃ রাজিব তালুকদার :

ঝালকাঠী কাঠালিয়া দক্ষিন তালগাছিয়া বাকপ্রতিবন্ধী জিয়াউল হোসেন মিল্টনের এক মাত্র মেয়ে মারুফা আক্তাকে গত ১০ই আগষ্ট শনিবার দিবগত রাত ১০ঘটিকার সময় মারুফাকে হত্যা করে ফ্যনের সাথে ঝুলিয়ে রাখে বলে অভিযোগ মারুফার পরিবার।

এ বিষয়ে মারুফার চাচা সোহাগ হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন মারুফার স্বামী দির্ঘদিন প্রবাসী। গত ১০ই আগষ্ট শনিবার দিবগত রাত ১০ঘটিকার সময় মনোয়ার হোসেন মারুফার শশুর তিনি মোবাইলের মাধ্যমে আমাদেরকে জানান মারুফা রুমের দর্জা বন্ধ করে রেখেছে খুলছে না। পরবর্তীতে এই খবর শুনে আমি ও আমার পরিববারের লোকজন নিয়ে মারুফার শশুর বাড়ীতে যাই।

আমরা যাইবার আগে মারুফার দুই ভাই কাদঁতে কাদঁতে মারুফার শশুর বাড়ীতে চলে যায়। যাওয়ার সাথে সাথে তার শশুর মনোয়ার দুই ভাইকে আলাদা রুমে আটকে রাখে। ইতি মধ্যে আমার স্থানীয় লোকজন সহ মনোয়ারের বাড়ীতে পৌছালে তারা আমাদের মারুফার রুমে প্রবেশ করতে দেয় না বলেন পুলিশ লাগবে। সোহাগ ও তার মা আরও বলেন ১০ই আগষ্ট শনিবার বিকাল ৪টার দিকে মারুফার দুই ভাই মারুফাকে স্বচোখে সুস্থ্য দেখে আসছে। মারুফার পরিবারের অভিযোগ যে, তার শশুর বাড়ীর মাহামুদ হোসেন, পিতাঃ মনোয়ার হোসেন হাওলাদার, মনোয়ার হোসেন হাওলাদার, পিতাঃ মৃতঃ আজাহার আলী হাওলাদার, ঝুমুর বেগম, স্বামঃ মাহামুদ হোসেন, সর্ব সং- দক্ষিন শৌলজালিয়া, কাঠালিয়া, ঝালকাঠী।

জাহিরুল ইসলাম, পিতাঃ শাহজাহান বয়াতী, সাং- হোসনাবাত, বেতাগী, বরগুনা। মাকুল বেগম, স্বামীঃ মনোয়ার হোসেন হাওলাদার, মিরাজ হোসেন, পিতাঃ মনোয়ার হোসেন হাওলাদার, সর্ব সং- দক্ষিন শৌলজালিয়া, কাঠালিয়া, ঝালকাঠী। উল্লেখিত বিষয় কাঠালিয়া থানায় অফিসার ইনর্চাজ মোঃ এনামুল হক একটি অপমৃত্যু মামালা করেন। মারুফার পরিবাবের দাবি যে, তার মেয়েকে তার শশুর বাড়ীর লোকজন পরিকল্পীত ভাবে আমার মেয়েকে হত্যা করে। কেননা যদি মারুফা নিজের ইচ্ছতে গলায় রশি দিত তাহলে তার রুমের দর্জা ছিটকানী দেয়া থাকত, মারুফার রুমের বিছানার উপরে প্লাস্টিকের টুল দেখা গেছে।

কিন্তু টুলটি ঠিক বিছানাতে আছে। এমনকি বিছনার কাপর সহ পরিপূর্ন ভাবে সাজানো রয়েছে। শুধু তাই নয় ফ্যানের তিনটি পাখা একটি পাখায় ওরনা দিয়ে গলায় ফাস দেয়া। ফাসদেয়া ওরনাটি মারুফার না। উল্লেখ্য বিষয় মারুফার পরিবার বলেন এজাহান লিখে থানায় গেলে ওসি বলেন আপনাদের যদি মামলা দেয়ার দরকার হয় তাহলে ডিএনএ রিপোর্ট আসার পরে সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

তখন আমার মামলা নিব। তার পরিবার রাজাপুর সার্কেল এর কাছে গেলে গত ২১শে আগষ্ট সরোজমিনে এসে বিষয়টি পরিদর্শন করে যায়।

Comments

comments

Close