মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, চটগ্রাম বিভাগ, প্রচ্ছদ বিদেশিদের সামনে তাদের দেয়া ত্রাণ লুঠ

বিদেশিদের সামনে তাদের দেয়া ত্রাণ লুঠ


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২৭, ২০১৯ , ৯:০২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,চটগ্রাম বিভাগ,প্রচ্ছদ


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার টেকনাফে চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প যেন এখন আতংকের জনপদ।দিনদুপুরে  চাকমারকুল ক্যাম্পে ত্রাণ লুঠ অস্ত্র প্রদর্শন  ছিনতাইসহ নানান অপরাধ এখন নিত্যদিনের। ফলে চাকামারকুল ক্যাম্পে যে কোনো সময় আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতির আশংকা করছেন স্থানীয়রা।
আর এসব অপরাধমূলক কাজে সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয়  জাহাঙ্গীর ও ফিরোজ নামের  দুই ব্যাক্তি।তরা  একটি বাহিনী গঠন করে নানান অপরাধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে।
খবর নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন সময় জাহাঙ্গীর ও ফিরোজ এর নেতৃত্ব রোহিঙ্গাদের জন্য আসা  লাখ লাখ টাকার ত্রাণ লুঠ  করেন নেন তারা।এমন কি রোহিঙ্গাদের হাত থেকে প্রতিদিন চাল ডালসহ  নানান প্রয়োজনীয় সামগ্রী ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করার ঘটনা এখন প্রতিদিনের দৃশ্য। এমনটাই জানিয়েছেন এনজিতে কর্মী ও রোহিঙ্গারা।
তথ্যমতে গত ২৬জুলাই বিদেশের সামনে ফিরোজের নেতৃত্ব দুপুর ১২টার দিক কম্ভবলসহ প্রায় ২০টাকার ত্রাণ লুঠ করা হয়। এসময় ভলান্টিয়ার কর্মরত হালিম ও জাবের নামের দুই ব্যাক্তি ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।এরই প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্টরা এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করলে ফের তাদের উপরে চওড়া হয় অভিযুক্তরা।
এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সরবরাহে নিয়োজিত ঠিকাদারদের কার্যকালাপেও তারা বাধা প্রদান করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে শফিক নামের এক ঠিকাদার তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টদের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন।তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগও করা হয়।তবে এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকায় তারা আরো বেশি বেপয়োয় হয়ে উঠেছেন।
জাহাঙ্গীর ও ফিরোজ বাহিনীর অত্যাচার লুঠপাট ও মারধরে অতিষ্ঠ রোহিঙ্গারা তাদের বিচারের দাবিতে চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিক্ষোভ করেছে। তাদের দাবি ফিরোজ ও জাহাঙ্গীর সরকারি বেসরকারি ভাবে পাওয়া তাদের ত্রাণ কেড়ে নিচ্ছেন। এমন কি চাল ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার পর্যন্ত রাস্তায় গতিরোধ করে তারা কেড়ে নিচ্ছেন।এ ব্যাপারে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতা কামনা করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়,রোহিঙ্গা ক্যাম্প অশান্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছেন মুফিজ ও জাহাঙ্গীর আলম। জাহাঙ্গীর আলম  মোসলিম ছেলে।তার বাবা ছিলেন পালংখালী বাজারের একজন তরকারী ব্যবসায়ী।,জাহাঙ্গীর  ক্লাস ফাইভ পড়ালেখা করে,বাবার সাথে তরকারী বিক্রি করতেন পালংখালী স্টেশনে,ওখান থেকে তাহার মামার হাত ধরে, রাজাপালং মাদ্রাসা গিয়ে ক্লাস নাইনে ভর্তি হয়,তাহার মামা  রাজাপালং মাদ্রাসার একজন অফিস দপ্তরী। সেখান থেকে দাখিল ও আলিম পাস করেন তিনি।
বর্তমান চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প হওয়ার পরে,  ঢাকার  একজন   NGO মৌলবির সাথে ২১ নং ক্যম্পে পরিচয় হয়। এরই প্রেক্ষিতে ক্যম্পে ১৫ টা থেকে ২০ মসজিদ নির্মানের কাজ নিয়ে আসলেন, জাহাঙ্গীর এলাকার সৎ ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত হয়। পরে মসজিদের কাজ গুলি সে নেন, কাজ চলা কালিন ঐ মৌলবি রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন ত্রাণ নিয়ে আসলে হুজুর কে বুঝিয়ে বলে ঢাকার পাঠিয়ে  দেন।,মালামাল সহ লেভারের টাকা পয়সা না দিয়ে, রাতারাতি আংগুল পোলে কলা গাছ বনে যান,ঐ টাকা নিয়ে বাড়ি ঘর করে পেলেন তিনি।
আরো বিস্তারিত আসছে

Comments

comments

Close