শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চটগ্রাম বিভাগ, প্রচ্ছদ, প্রশাসন রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে কাটাতাঁরের প্রাচীর হচ্ছে!

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে কাটাতাঁরের প্রাচীর হচ্ছে!


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২৭, ২০১৯ , ৮:৫৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: চটগ্রাম বিভাগ,প্রচ্ছদ,প্রশাসন


বিশেষ প্রতিবেদন
সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়া হতে পারে * ইতিমধ্যে প্রতিনিধি দল তুরস্কের শরণার্থী ক্যাম্প দেখে এসেছে * ক্যাম্পের বাইরে থেকে উদ্ধার ৫৮ হাজার ৯৫৪ জন * দুই বছরে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ৪৩ রোহিঙ্গা নিহত * মামলা হয়েছে ৪৭১টি, আসামি ১ হাজার ৮৮ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গাদের অপরাধ ঠেকাতে আশ্রয় শিবিরগুলোর চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আড়াই থেকে তিন ফুট ইটের গাঁথুুনির উপর এ প্রাচীর নির্মাণ হবে। আলাদা ৭টি ক্যাম্পের চারদিকে ১৫৭ কিলোমিটারজুড়ে কাঁটাতার বসানোর দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেয়ার সম্ভাবনা আছে।
কাজটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সম্পন্ন করতে আরআরআরসির (শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়) পক্ষ থেকে সরকারকে প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে। এর আগে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তায় চারদিকে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুশাসন দেন। এসবের পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের যৌথ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে স্থান চিহ্নিত করে জমি বরাদ্দ দেয়া হবে। ক্যাম্প এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে দুটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠনের কথাও ভাবা হচ্ছে। এজন্য পুলিশ অধিদফতর থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে। সে অনুযায়ী কার্যক্রম চলছে।
এসব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল যুগান্তরকে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করছি, যাতে তারা ক্যাম্প থেকে বের হতে না পারে। ক্যাম্পের ভেতর যেন অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সেজন্যও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। ক্যাম্পে সন্ত্রাসীরা খুন-ধর্ষণ, চুরি-ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার, শিবির থেকে পালিয়ে যাওয়া, মাদক ও মানব পাচারসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।
দুই বছরে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ৪৩ রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। ডাকাতি, অপহরণ, ধর্ষণ, চুরি, মাদক ও মানব পাচারসহ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৪৭১টি। এগুলো বন্ধের জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, সর্বশেষ ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়- রোহিঙ্গাদের গতিবিধি অবজারভেশনে রাখা হবে।

Comments

comments

Close