মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, চটগ্রাম বিভাগ, জাতীয়, প্রচ্ছদ, সংগঠন সংবাদ রোহিঙ্গা মহিবুল্লার কথায় চলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাঝি থেকে শুরুকরে সবাই।

রোহিঙ্গা মহিবুল্লার কথায় চলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাঝি থেকে শুরুকরে সবাই।


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ২৯, ২০১৯ , ৫:৫৮ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,চটগ্রাম বিভাগ,জাতীয়,প্রচ্ছদ,সংগঠন সংবাদ


 কক্সবাজার উখিয়া প্রতিনিধিঃ 

রোহিঙ্গাদের সকল জঙ্গী সংগঠনকে ছাপিয়ে গেছে মহিবুল্লাহ ও তার সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এ্যান্ড হিউম্যান রাইটস। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ইউএনএইচসিআর-এর কক্সবাজার অঞ্চলে নিয়োজিত কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে মহিবুল্লাহর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। উখিয়া-টেকনাফের ৩২ রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির নিয়ন্ত্রণে মহিবুল্লাহর নেতৃত্বাধীন সংগঠনে ২০ হাজারেরও বেশি সদস্য রয়েছে।

মহিবুল্লাহর এ সংগঠন বর্তমানে প্রত্যাবাসনবিরোধী তৎপরতায় সক্রিয়। মহিবুল্লাহসহ এ সংগঠনের সকল নেতাকে আটক করার তৎপরতা শুরু করেছে প্রশাসন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আশ্রয় শিবিরে জঙ্গী তৎপরতার আশঙ্কায় সন্ত্রাসী তৎপরতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই অভিযান শুরু হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, আশ্রয় শিবিরগুলোতে অবস্থানরত সাধারণ রোহিঙ্গারা জিম্মি মহিবুল্লাহর নেতৃত্বাধীন এ সংগঠনের সন্ত্রাসীদের হাতে। অস্ত্রধারী ওইসব রোহিঙ্গার অধীনে প্রতিটি ক্যাম্পে রয়েছে অন্তত ২০ সহস্রাধিক রোহিঙ্গা ক্যাডার। তারা দিনের বেলায় সাধারণ রোহিঙ্গার বেশে থাকলেও সন্ধ্যার পর ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। রাতের বেলায় তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে ৩২ রোহিঙ্গা শিবির। এ কারণে কোন সময় কাকে ধরে নিয়ে যায় এ ভয়ে সন্ধ্যার পরপরই দরজা বন্ধ করে কক্ষের বাতি নিভিয়ে দেয় সাধারণ রোহিঙ্গারা। এসব সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে রয়েছে মহিবুল্লাহ, মৌলবি আবদুর রহিম, আরএসও নেতা মৌলবি ইদ্রিছ, মৌলবি আয়াছ, হাফেজ হাসিম, জাবেরসহ বাংলাদেশী দাবিদার শতাধিক পুরনো রোহিঙ্গা নেতা।

সূত্র জানায়, রোহিঙ্গাদের বিশ্বাসের আস্থা বলে খ্যাত আবু সিদ্দিক আরমান কিছুদিন আগে সৌদি আরব থেকে সস্ত্রীক কক্সবাজারে সফরে আসেন। অবস্থান করেন রোহিঙ্গা নেতা হাফেজ হাসিমের ঘরে। ইংরেজীতে কথা বলতে পারদর্শী রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহর মাসিক আয় অর্ধ কোটি টাকা বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া বিশেষ কোন অনুষ্ঠান-মিটিং ও অস্ত্র কেনার কাজে আলাদা বাজেট তার হাতে পৌঁছে দেয়া হয়। মাস শেষে তার কাছে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার তরফ থেকে নির্ধারিত টাকা পৌঁছে যায় বলে তথ্য মিলেছে।

আরও জানা যায়, মহিবুল্লাহ ২৫ আগস্ট উখিয়ার কুতুপালংয়ের মহাসমাবেশে বলেছে, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে হলে সকলকেই তার সঙ্গে আগে আলাপ করতে হবে। জোর করে ফেরত পাঠানোর পরিনাম ভাল হবে না। মহিবুল্লাহর কথাবার্তায় বাংলাদেশের প্রশাসনকে সে আদৌ আমল দেয় কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

Comments

comments

Close