বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রংপুর বিভাগ গাইবান্ধায় বাঁধ মেরামতে অনিয়মের অভিযোগ

গাইবান্ধায় বাঁধ মেরামতে অনিয়মের অভিযোগ


পোস্ট করেছেন: রংপুর বিভাগীয় ব্যুরো চিফ , | প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯ , ৫:৩৪ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রংপুর বিভাগ


গাইবান্ধায় সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় প্রবল পানির চাপে ব্রক্ষপুত্র, ঘাঘট, করতোয়া ও আলাই নদ-নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের ৩৭টি পয়েন্ট ভেঙে গেছে।

জেলা শহরসহ সাত উপজেলার অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়। মৎস ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় ওই সব এলাকায়। পানি কমতে শুরু করায় গত ৭ আগস্ট থেকে শুরু হয় ভেঙে যাওয়া ৩৭ টি পয়েন্টের ২৮শ মিটার বাঁধ মেরামতের কাজ। মাটি ও নিরাপদ দূরুত্ব থেকে বালি কিংবা বিশেষ ক্ষেত্রে নদীর বাঁধ থেকে ৩০০ মিটার দূর থেকে বালি তুলে ভাঙা অংশগুলো মেরামতের নিয়ম থাকলেও তা করা হচ্ছে না। ভেঙে যাওয়া বাঁধগুলোর নিচে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে শুধু বালি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে বাঁধের ভাঙা অংশগুলো।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, যেভাবে বাঁধের পার্শ্বে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে শুধু বালু দিয়ে বাঁধ নির্মাণ হচ্ছে তা টিকবে না। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বাঁধগুলো আবারও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছে তারা। যেভাবে নিমার্ণ করা হচ্ছে বাঁধগুলো এলাকাবাসীর কোনো কাজে আসবে না। সেই সঙ্গে নদীর বাঁধের পার্শ্বে জনবসতিপূর্ণ এলাকা। নদী থেকে বালু উত্তোলন করায় ভাঙনের আতঙ্কে পড়েছে বাঁধ সংলগ্ন কয়েক হাজার পরিবার। অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বাঁধ নিমার্ণে প্রতিবাদ করায় দেওয়া হচ্ছে মামলার ভয়ভীতি।

এদিকে বাঁধ সংলগ্ন এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদী থেকে বালু তুলে সেই বালু দিয়ে বাঁধ মেরামত করার চেয়ে না করাই ভালো। একটু দূরে মেশিন বসানো। যেখান থেকে বালু তুলছে, বৃষ্টি পড়লেই নদীর বালু নদীতে যাবে। কাকে কি বলবো? আমাদের হুমকি দেয়, কিছু বললে মামলা করে দিবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান অনিয়মের অভিযোগ সত্য নয়। আসলে মাটি না পাওয়ায় নদীর গভীর থেকে অনুশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে মেরামতের কাজ চলছে। তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বাঁধ মেরামতে অনিয়মের বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

Comments

comments

Close