শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রংপুর বিভাগ স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে সাহায্যের আবেদন পরিবারের

স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে সাহায্যের আবেদন পরিবারের


পোস্ট করেছেন: রংপুর বিভাগীয় ব্যুরো চিফ , | প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ২, ২০১৯ , ৩:১২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রংপুর বিভাগ


ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ঝালিঙ্গী গ্রামের এক অসহায় পিতা কন্যা শামরীন আক্তার শান্তা ফিরে পেতে চায় স্বাভাবিক জীবন।

সমাজের ধণাঢ্য দানশীল ব্যাক্তিদের কাছে গরীব অসহায় বাবা মা’র একমত্র কন্যার চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য কামনা করছেন ।

জানা যায়,২০০১ সালে ঢাকায় অবস্থানকালে রোটারি এন্ড পাবলিক স্কুলে কাস ওয়ানের ছাত্রী থাকা অবস্থায় শান্তা হটাৎ মাথা ঘুরে পরে যাওয়ায় চিকিৎসা ও পরিার মাধ্যমে ব্রেনটিউমার ধরা পরে।

পরিবার পর পর দু’টি অপারেশন অকৃতকার্য হয়ে তৃতীয়বার ভারতের মাদ্রাজে এ মাথার টিউমার অপসারণ করতে সক্ষম হয়। এ অপারেশনের ফলে ব্লাড সার্কুলেশনের ব্যাঘাত হওয়ার পর হতে হটাৎ হটাৎ খিচুনি হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে শান্তা।

এ বিষয়ে আর একটি অপারেশন (ইপিলিপসি) করা দরকার।

২০০১ সাল হতে বাবা খন্দকার মোহাম্মদ মতলুবর রহমান (শামিম) কর্মরত এমবিএম গার্মেন্টস-এর মালিক মাহমুদর রহমান ও বন্ধু বান্ধবের সহায়তায় ২০০৬ সালে ভারতের মাদ্রাজে মাথায় অস্ত্রপাচার করা হয়।

অপারেশন করেন, ডাক্তার শাখির হাসান।

বর্তমানে শেরে বাংলা নগর সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ১০ম শ্রেণিতে পড়াশুনা করছে শান্তা। স্বাভাবিক অবস্থায় থাকতে হলে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হয় তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল অপারেশনে মাধ্যমে ব্লাড সার্কুলেশন স্বাভাবিক করলে সে একা চলাফেরা করতে পারবে কিন্তু এ অপারেশন (ইপিলিপসি) করতে হলে এ পরিবারটিকে গুনতে হবে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা।

বিশাল অংকের এ টাকা জোগার করা সম্ভব নয় পরিবারটির একার পক্ষে। তাই বাবা-মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আশার আকুতি জানিয়েছেন।

বর্তমানে ক্ষুদ্র এ ব্যবসায়ী সময় ও মেয়ের অসুস্থতা সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারায় এমবিএম গার্মেন্টসে প্রশাসনিক বিভাগের চাকুরী ছেড়ে দিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে দিনযাপন করছে।

জীবনের চলার পথে সবটুকু আয় মেয়ের চিকিৎসার জন্য ব্যায় হয়ে যাওয়ায় নিজ বসতবাড়ি গড়ে তুলতে পারেননি।

জন্মস্থান পলাশবাড়ী উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউনিয়নের ঝালিঙ্গী গ্রামে।

চিকিৎসার পাশাপাশি শান্তার পড়াশুনার ইচ্ছে দেখে বাবা-মা মেয়েকে আখরে ধরে রাখতে চায়।

শিক্ষকরা জানান,প্রতিটি বিষয়ে অনেক ভালো শুধুমাত্র অংক বিষয়ে মাথা এলোমেলো হয়ে আসে শান্তার ।

সহযোগীতা করার জন্য হিসাব নম্বর কৃষি ব্যাংক, মিরপুর -১৩, শাখা-৩২০৫। যোগাযোগ মোবাইল ও বিকাশ নম্বর-০১৭১৫৪১৬২৫৫।

Comments

comments

Close