শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আইন ও বিচার, ঢাকা বিভাগ শ্রীপুর জৈনা বাজারে ফিল্ম স্টাইলে গুলি করে স্বর্ণের দোকান লুট।

শ্রীপুর জৈনা বাজারে ফিল্ম স্টাইলে গুলি করে স্বর্ণের দোকান লুট।


পোস্ট করেছেন: ক্রাইম রিপোর্টার, মোঃ রমজান আলী রুবেল | প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ১৬, ২০১৯ , ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আইন ও বিচার,ঢাকা বিভাগ


ক্রাইম রিপোর্টার রমজান আলী রুবেল।
গাজীপুরের শ্রীপুরের জৈনাবাজার এলাকার শৈলাট রোডে ককটেল ফাটিয়ে এবং গুলি করে দুটি স্বর্ণের দোকান লুটের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার(১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজারে নিউ দিপা জুয়েলার্স এবং লক্ষী জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় নিউ দিপা জুয়েলার্সের মালিক দেবেন্দ্র কর্মকার দেবু গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।পরে তাকে আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
লক্ষী জুয়েলার্সের মালিক মানিক চন্দ্র পাল জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ৭-৮ জনের একটি দল বস্তা হাতে তাঁর দোকানে প্রবেশ করে। পরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দোকানের প্রদর্শণে থাকা স্বর্নলংকার ও সিন্দুকে থাকা স্বর্ণালংঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়।এসময় ডাকাতদল লক্ষী জুয়েলার্সের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার হার্ডডিস্কও খুলে নিয়ে যায়। এসময় পাশের      নিউ দিপা জুয়েলার্সেও লুটের ঘটনা ঘটে।পরে ডাকাতরা চলে যাওয়ার সময় এলোপাথাড়ি ভাবে ৭ থেকে ৮ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে এবং বেশ কয়েকটি  ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। এঘটনায় নিউ দিপা জুয়েলার্সের দোকান মালিক দেবেন্দ্র কর্মকার ডাকাতদের ধরতে গেলে ডাকাতরা তার পেটে গুলি করে পালিয়ে যায়।পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় আল হেরা হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে দেন।এ লুটের ঘটনায় জৈনা বাজার এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
মানিক চন্দ্র পাল আরও জানান, তাঁর দোকান থেকে ৬০-৭০ভরি স্বর্ণালংকার,৫০ ভরি রুপা এবং নগদ ৪লাখ টাকা নিয়ে যায় ডাকাতদল। দিপা জুয়েলার্সের মালিক গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাৎক্ষণিক ভাবে লুটের পরিমান জানা সম্ভব হয়নি।তবে ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ন লুট করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ ইতিমধ্যে অভিযান শুরু করেছে। আশা করি খুব শ্রীঘ্রয়ই লুটের মালামাল ও জড়িতদের গ্রেফতার সম্ভব হবে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, আমরা ঘটনাটি শুনার সাথে সাথে বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়েছি। ময়মনসিংহের পুলিশের সাথেও যোগাযোগ করেছি তারাও চেকপোস্ট বসিয়েছে।বিভিন্ন জায়গার সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।আশা করছি খুব শিঘ্রয়ই আমরা আসামীদের ধরতে সক্ষম হবো।

Comments

comments

Close