শনিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আইন ও বিচার, আজকের পত্রিকা, ঢাকা বিভাগ, তৃতীয় পাতা, প্রচ্ছদ শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের বেলদীয়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ২ জন আহত।

শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের বেলদীয়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ২ জন আহত।


পোস্ট করেছেন: ক্রাইম রিপোর্টার, মোঃ রমজান আলী রুবেল | প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ৭, ২০২০ , ১০:৩৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আইন ও বিচার,আজকের পত্রিকা,ঢাকা বিভাগ,তৃতীয় পাতা,প্রচ্ছদ


ক্রাইম রিপোর্টার রমজান আলী রুবেলঃ

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের বেলদীয়া গ্রামের মৃত হাতেম আলীর সন্তান ওমর ফারুক(১৭) ও হযরত আলীকে (০৮) কুপিয়ে আহত করায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযুক্তরা হলেন, একই গ্রামের
সামছুলহুদার সন্তান আব্দুল্লাহ(৪০), মৃত সিদ্দিক মিয়ার সন্তান সামছুলহুদা(৬২), শামীমা(৩০) ও আসমা(৩৫)।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারের ফাতেমা খানম জানিয়েছেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে ইজমালি কবরস্থানে বেড়া দেওয়ার সময় এই মারামারির ঘটনা ঘটে এবং কবরস্থানের বেড়া ভাংচুর করে।

৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার সেফালী খাতুন জানিয়েছেন, ওইদিন মেম্বার আমাকে ফোন করে বলে শামসুল হকের বাড়িতে মারামারি হচ্ছে তুমি ওইখানে যাও, তারপর আমি গিয়ে দেখি মারামারি শেষ। আমি ওইখানে যাওয়ার পরই আসছে শ্রীপুর থানার এসআই আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে আসে । তিনি এসে শুধু এক পক্ষের সাক্ষী অর্থাৎ শামসুল হকের সাথে কথা বলে চলে যাওয়ার সময় আমি উনার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি বলেন, আর কোনও কথা শুনা লাগবে না’। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, আহতরা তাদের বাবার কবরে বেড়া দেওয়ার জন্য (এজমালি) জায়গা থেকে বাঁশ কাটার সময় শামসুল হক হযরত আলী নামের আট বছরের শিশুকেও কুপিয়ে আহত করে এবং শাবল, দা ও হাতুড়ি নিয়ে যায়। প্রতক্ষদর্শীরাও একই কথা জানিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাদের মেরে আহত করার পর ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। পরে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এরপর স্থানীয়রা আহতদের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

সোমবার (৬ জানুয়ারি)
শ্রীপুর থানার এসআই আমিনুল ইসলাম একুশের বানী প্রত্রিকায় জানিয়েছেন, ‘উভয়পক্ষকে থানায় ডেকেছিলাম কিন্তু আসমা খানমরা থানায় আসেনি, বিষয়টা এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে’। মহিলা মেম্বারের ব্যাপারে তিনি বলেন, উনি উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু আমার সাথে কোনও কথা হয়নি।

Comments

comments

Close