শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চটগ্রাম বিভাগ, প্রচ্ছদ, বিশেষ প্রতিবেদন মাত্র পাঁচটি প্রকল্প ও মিনি পুরাতন সন্দ্বীপ টাউন পার্ক ফিরিয়ে আনতে পারে পুরনো টাউন্যাদের হারানো জৌলুস

মাত্র পাঁচটি প্রকল্প ও মিনি পুরাতন সন্দ্বীপ টাউন পার্ক ফিরিয়ে আনতে পারে পুরনো টাউন্যাদের হারানো জৌলুস


পোস্ট করেছেন: উপ সম্পাদক | প্রকাশিত হয়েছে: জানুয়ারি ১৭, ২০২০ , ১০:১০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: চটগ্রাম বিভাগ,প্রচ্ছদ,বিশেষ প্রতিবেদন


বাদল রায় স্বাধীন মাত্র কয়েক কোটি টাকার ৫ টি প্রকল্প ফিরিয়ে দিতে পারে পুরনো সন্দ্বীপ টাউনের স্মৃতি বিজরিত সন্দ্বীপ টাউন্যাদের ঐতিহাসিক হারানো সে জৌলুস। সরকারী বা বেসরকারী উদ্যোগে বাস্তবায়ন হতে পারে সে ৫ টি প্রকল্প।তার মধ্যে মাত্র ৪ কোটি টাকার দুটি ব্রীজ একটা রহমতপুর -হরিশপুর সংযোগ সেতু, একটি ব্রাক্ষন সাঁকোর ব্রীজ, অন্য দুটি হলো পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ডের টেকসই বেড়িবাধ বা ব্লক বেড়িবাঁধ বাকিটি নতুন জেগে উঠা চরে ৫/৬ বর্গ কিলোমিটারের একটি নোনা রিং বেড়িবাঁধ নির্মান।সব গুলো মিলিয়ে মাত্র ৩০ কোটি টাকায় তা সম্ভব বলে মনে করছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। আর এগুলো বাস্তবায়ন হলে তালুকদার মার্কেটের ১৫ বছর ধরে স্বাক্ষিগোপাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা অক্ষত ২০/৩০ টি দোকান ঘর সংস্কার করে নতুন ভাবে চালু করা, এর পর মুল বেঁড়িবাঁধের বাইরে রিং বেড়িবাঁধের ভিতরে হবে একটি মিনি পুরনো সন্দ্বীপ টাউন পার্ক। যার ভিতরে থাকবে পুরনো টাউন দিঘি, আদালত ভবন, পিপিসি ক্লাব,বিচিত্রা ফোরাম ক্লাব,আবাহনী ক্রীড়া চক্র, মোমেনা সেকান্দর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, কার্গিল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, পুরনো কলা ভবন, সেকান্দর মহল সিনেমা হল,সন্দ্বীপ টাউন কালি বাড়ি, দুর্গা বাড়ি, পাঁচ রাস্তার মোড়,এতিম খানা, পোস্ট অফিস,হ্যালিপেড ময়দান,১০ শর্য্যা হসপিটাল, সোনালী ব্যাংক,কো-অপারেটিভ ব্যাংক,প্রিয় লালের মিষ্টির দোকান, কুদ্দুছ হোটেল, সন্দ্বীপ টাউন বাজার ও মসজিদ,আবহাওয়া অফিস,মারকেজ ইত্যাদি। এই ৫ টি প্রকল্পের মধ্যে হরিশপুর রহমতপুর সংযোগ সেতু সংসদে উথ্বাপিত হওয়ায় তা বাস্তবায়নের পথে। ব্লক বেড়িবাঁধ নির্মানের টেন্ডার প্রক্রিয়া শীত মৌসুমের ভিতর শেষ হবে বলে জানালেন পৌরসভা আওয়ামীলিগ সভাপতি মুকতাদের মাওলা সেলিম। এছাড়াও ব্রাক্ষন সাঁকো ব্রিজ পৌরসভার মাধ্যমে বাস্তবায়ন সম্ভব। তাহলে বাকি থাকলো মুল বেড়িবাঁধের বাইরে রিং বাধ নির্মান এবং তার ভিতরে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনার কাল্পনিক রুপ দিয়ে মিনি বাংলাদেশের মতো মিনি পুরাতন সন্দ্বীপ টাউন পার্ক।যা ২০/২৫ কোটি টাকায় সম্ভব। এবং সেটা গড়ে উঠতে পারে সরকার থেকে জায়গা লিজ নিয়ে বেসরকারী উদ্যোগে। এবং তাতে থাকবে টিকেটের ব্যাবস্থা। সে প্রকল্পে যে ব্যায় হবে সে ব্যায় তুলে আনা সম্ভব মাত্র ৫ বছরে। এবং তার মধ্যে যাদের যাদের জায়গার ডকুমেন্ট আছে তারা স্বল্প পরিসরে শীতকালে অবকাশ যাপনের জন্য একটি করে ঘর তুলবেন। আর সে পরিকল্পনায় সত্যিকারের পুরাতন সন্দ্বীপ টাউনকে উপভোগ করা সম্ভব। কেবল মাত্র দরকার সাহসী উদ্যোগ ও দিক নির্দেশনা। বিচ্ছিন্ন ভাবে সন্দ্বীপ নদী সিকস্তি কমিটি না করে পুরাতন টাউন্যারা এসো নতুন করে স্বপ্নের সে পুরাতন টাউন গড়ি ডাক দিয়ে সবাইকে ঐক্যমতে পৌঁছানাে। এটা বর্তমান প্রযুক্তির যুগে তেমন কষ্টসাধ্য বিষয় নয়। তাই আসুন পুরাতন টাউন্যারা আরেকবার জ্বলে উঠি।গড়ে তুলি পুরাতন মিনি সন্দ্বীপ টাউন পার্ক।এছাড়াও তার পাশে গড়ে উঠেছে গবাদি পশু পালনের বিশাল ক্ষেত্র,সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে দুগ্ধজাত বিভিন্ন পন্য তৈরি ও রপ্তানীর সুযোগ। হাজার হাজার গরু, মহিষ, ভেড়ার পাল দেখিয়ে সে অসীম সম্ভাবনার কথা তুলে ধরলেন সনাতনী সম্প্রদায়ের লিডার কার্তিক চক্রবর্তী।এছাড়াও হাজার হাজার একর ফসলি জমির চাষের ফলিত ফসলের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠবে পুরো এলাকা। তাই আসুন আবার সবাই মিলে গাইবো ” আবার জমবে মেলা, বটতলা হাট খোলা, অঘ্রানে নবান্নের উৎসবে।সোনার বাংলা ভরে উঠবে সোনায়, বিশ্ব অবাক চেয়ে রবে।

Comments

comments

Close