মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাজনীতি আদাবর থানার যুবলীগের তৃনমুলের নেতাকর্মীদের আস্থা বাচ্চু মিয়া

আদাবর থানার যুবলীগের তৃনমুলের নেতাকর্মীদের আস্থা বাচ্চু মিয়া


পোস্ট করেছেন: Ibrahim Hossain | প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০ , ১১:৩৭ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রাজনীতি


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজধানীর আদাবর থানা যুবলীগের কমিটিকে সামনে রেখে তৃণমুল পর্যায়ে নেতা কর্মীদের কাছে আস্থাভাজন নেতা হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন আদাবর থানা ১০০ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ বাচ্চু মিয়া। তিনি আদাবরের ১০০ নং ওয়ার্ডের তৃনমুলের যুবলীগকে যেভাবে আগলে রেখেছেন তেমনি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে কর্মীদের উৎসাহ যুগিয়েছেন। ২০১২ সাল থেকে আদাবর থানার ১০০ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

যুবলীগ কর্মী হিসেবে মোঃ বাচ্চু মিয়ার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ সরকার পতনের রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে। ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচন ও উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনায় মুখ্য ভূমিকা পালন সহ ১৯৯৪ সালে বিরোধী দলে থাকা মেয়র এবং কমিশনার নির্বাচনে বিজয়ী হতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯৪-১৯৯৬ মার্চ পর্যন্ত স্বৈরাচারীনী খালেদা জিয়ার পতনের লক্ষ্যে হরতাল, অবরোধ, ঘেরাও কর্মসূচী, অসহযোগ আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা এ যুবলীগ নেতা জানান, ১৯৯৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে এ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মকবুল হোসেন এর পক্ষে আমরা মাঠে কাজ করে জয়লাভ করেছি। ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলায় আল্লাহর অশেষ রহমতে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছি।

মোঃ বাচ্চু মিয়া ২০০৬ সালে নবোদয় হাউজিং ইউনিট যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  ২০০৭ সালে ওয়ান এলেভেনের সময় আমাদের প্রাণপ্রিয় জননেত্রী শেখ হাসিনা-কে গ্রেফতার করলে সংসদ ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ জেলের সামনে বৃহত্তর মোহাম্মাদপুর থানা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলন কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে আওয়ামীলীগ বিজয় লাভ করে সরকার গঠন করে। ২০১৪ সালেও দ্বিতীয় দফায় এবং ২০১৯ সালে তৃতীয় মেয়াদে আমাদের প্রাণপ্রিয় দল ক্ষমতায় আসে। আমরা দলের ত্যাগী নেতাকর্মী যারা আছি দল আমাদের মূল্যায়ন করলেও আমরা কোন প্রকার মাদক, জুয়া কিংবা চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হইনি।

তিনি বলেন, আমি চাই আমাদের তৃণমুলে যেই নেতা কর্মীরা আছে তারা যেন একটা বৃত্তের মতো সুন্দর পরিবার হিসেবে থাকে তাহলে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে যেকোন নির্দেশে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারবো। তাছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই ঘোষনা দিয়েছিলেন তৃণমুলের নেতা কর্মীদের মূল্যায়নে। আমি আদাবরের যুবলীগকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে আগলে রেখেছি। বিশেষ করে আপনারা দেখেছেন মাদক, ইভটিজিং এবং সন্ত্রাসীদের নির্মূলে আমি অপরাধীদের প্রশাসনের হাতে তুলে দিয়েছি। কারণ, আমি চাই আমার এলাকা থেকে যেন সুস্থ সমাজ গড়ার স্লোগান উঠে। তাহলে আমার বিশ্বাস বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশকে আমরা বাস্তবায়ন করতে পারবো।

আদাবর থানার ১০০ নং ওয়ার্ডের তৃনমুলের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এবাবের কমিটিতে বাচ্চু মিয়াকে আদাবর থানার ১০০ নং যুবলীগের কান্ডারী হিসেবে দেখতে চায়। কারণ, তিনি যেভাবে তৃণমুলের নেতাকর্মীদের বিপদে এগিয়ে আসেন এবং যে কোন সমস্যায় তাদের সহযোগিতা করেন। তারা দাবি করেন, আমরা মূলত বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে মাদক,জুয়া ও সামাজিক অপকর্ম দূরীকরণে বাচ্চু মিয়ার সহযোগিতায় এতোদূর পর্যন্ত আসতে পেরেছি। আমরা চাই এবার দল তাকে মূল্যায়ন করে আমাদের আস্থা,বিশ্বাস ও সাহসকে মূল্যায়ন করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে পথ দেখাবে। মোঃ বাচ্চু মিয়া আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে লালন করে জীবন বাজি রেখে দলীয় সকল নির্দেশনা পালন করে এসেছি। দল আমাকে যেখানেই মূল্যায়ন করবেন বা  দায়িত্ব দিবেন তা জীবনের বিনিময়ে হলেও ভবিষ্যতেও রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ।

Comments

comments

Close