শনিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রচ্ছদ, ফিচার, মতামত স্বপ্নের সন্দ্বীপ : নামকরণ ও বিষয়বস্তু সন্দ্বীপের ভালোবাসায় সিক্ত

স্বপ্নের সন্দ্বীপ : নামকরণ ও বিষয়বস্তু সন্দ্বীপের ভালোবাসায় সিক্ত


পোস্ট করেছেন: বার্তা | প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ২, ২০২০ , ১১:২০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: প্রচ্ছদ,ফিচার,মতামত


:: এম. এ. হাশেম আকাশ ::
গ্রন্থ মূল্যায়ন
গ্রন্থের নাম – স্বপ্নের সন্দ্বীপ
গ্রন্থকার/কবিঃ মাস্টার কে.এম. আজিজ উল্যাহ
গ্রন্থের প্রকৃতিঃ প্রবন্ধ
প্রকাশনায়ঃ সাহিত্য বিচিত্রা, ৩৬, মসজিদ মার্কেট, আন্দরকিল্লা, চট্টগ্রাম
প্রকাশকালঃ বইমেলা ২০২০ খ্রি.
গ্রন্থিত প্রবন্ধ সংখ্যাঃ ১৫
 
নিত্য ঢেউয়ের কল্লোলে মুখরিত চতুর্দিকে জলবেষ্টিত সবুজ শ্যামল এক শান্ত দ্বীপের কৃতি সন্তান মানুষ গড়ার কারিগর, লোকজ সাহিত্যের ধারক ও বাহক জনাব মাষ্টার কে. এম. আজিজ উল্যাহ্। গীতি কাব্য/পুঁথি কাব্য ধারার এ স্বভাব কবি তাঁর প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ “স্বপ্নের সন্দ্বীপ” ও ২য় কাব্যগ্রন্থ “হৃদয় জুড়ে সন্দ্বীপ” অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে মার হাতে তুলে দেন কয়েক সপ্তাহ আগে। আশির্ধো এই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের প্রবীণ বয়সের প্রাণ প্রাচুর্যে ভরা তেজোদীপ্ত তারুণ্য আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করে। ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত হওয়ার কারণে ভালোবাসার অতিমাত্রা থেকেও এমনটা হয়ে থাকতে পারে। তাই, আমার প্রতি তাঁর
অত্যধিক ভালোবাসার দায় থেকেই এ গ্রন্থ নিয়ে দু’কলম লিখার চেষ্টা।
 
প্রথমেই কয়েকটি প্রবন্ধ থেকে ভাবটা হৃদয়ঙ্গম করার চেষ্টা করি।
 
প্রবন্ধঃ আগুন-পানি-মাছ;
এটাকে ঠিক প্রবন্ধের সংজ্ঞায় ফেলা যায় কিনা সে বিষয়ে আমার জ্ঞানের স্বল্পতা আছে। তবে লেখাটিতে নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বিতর্ক অনুষ্ঠানের প্রাণবন্ত আলোচনা ও বিশ্লেষনাত্বক যুক্তিতর্কগুলোকে তুলে ধরে মানুষের জ্ঞান তৃষ্ণাকে উদ্দীপ্ত করার একটা প্রয়াস দেখা যায়। বিশেষত ছাত্রী/ছাত্রীরা সুখপাঠ্য লিখনি পাঠ করলে, যুক্তির মাধ্যমে যে কোন বিষয়ের বিশ্লেষন, গভীরতায় গমন এবং যুক্তি গঠন ও বিপরীত পক্ষের যুক্তি খন্ডনের কৌশল অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের মেধাকে পরিশীলিত করতে উদ্দীপ্ত হওয়ার খোরাক পাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
 
প্রবন্ধঃ শ্রদ্ধেয় বেলাল মোহাম্মদ এবং আমার পরিবার;
দ্বীপের রাণী খ্যাত সন্দ্বীপ মাতার এক কৃতি সন্তান ৭১ এর মহান স্বাধীনতার এক অনন্য শব্দসৈনিক, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বেলাল মোহাম্মদ এর সাথে লেখকের স্মৃতিময় জীবন প্রসঙ্গ আলোচনা করতে গিয়ে তুলে এনেছেন সন্দ্বীপের আরো অনেক কীর্তিপুরুষকে। ইতিহাস খ্যাত দিলাল রাজা, মহব্বত খাঁ, কাকাবাবু খ্যাত উপমহাদেশের বিশিষ্ট কমিউনিষ্ট নেতা কমরেড মোজাফ্ফর আহম্মদ, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা কর্ণেল অবঃ মোহাম্মদ দিদারুল আলম বীর প্রতীক, কর্ণেল ডাঃ মনিরুজ্জামান, ব্রিগেডিয়ার ডাঃ আবুল মহসীন, মেজর আবুল কায়েস চৌধুরী, মেজর সাহাব উদ্দীন, নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল চৌধুরী হাসান সোহরাওয়ার্দী, বীর বিক্রম আলী হায়দার চৌধুরী, বিমান বাহিনীর বোরহান উল্লাহ, কবিয়াল মোহাম্মদ অঝিউল্যা, হরদূর্গা রঞ্জন, রামদাস কৈবর্ত, বাবু অক্ষয় কুমার, মোহাম্মদ শাহ বাঙালী, মাহমুদুল হক (দুদু মিয়া), মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের দিকপাল কবি আবদুল হাকিম, চলমান কালের কবি আসাদ মান্নান, মাহমুদুল হাসান নিজামীসহ উঠে এসেছে সন্দ্বীপের বহু বিশিষ্টজনের নাম। দ্বীপের হিতে অনুরাগী মানুষগুলোর প্রতি লেখক মনের দরদ চিত্রায়িত হয়েছে এখানে।
 
প্রবন্ধঃ আমার পরম শিক্ষা গুরু মরহুম মৌলভী আলি আকবর, বি.এ.বি.টি;
লেখকের প্রিয় শিক্ষককে পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে গিয়ে একজন আদর্শ শিক্ষকের গুণাবলী, তৎকালীন ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ক, আলোকিত মানুষ গড়তে শিক্ষকদের ভূমিকাসহ বহু বিষয় চিত্রিত করেছেন এ যুগের পাঠক ও ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য। লেখক নিজে একজন শিক্ষ ছিলেন বলে বিষয়টিকে আরো প্রাসঙ্গিকভাবে তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। প্রবন্ধটি যেন মনে করিয়ে দেয় সেই বিখ্যাত কবিতার কয়েকটি লাইন, “আজ হতে চির উন্নত হলো, শিক্ষাগুরুর শির, সত্যি তুমি মহান উদার, বাদশাহ আলমগীর”।
 
প্রবন্ধঃ একজন সাদা মনের মানুষ, প্রসঙ্ঘ: বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ উল্যা
সামাজিক জীব হিসেবে মানুষের বন্ধুবাৎসল্য, সুশীল সঙ্গের প্রতি সহজাত আকর্ষণের প্রসঙ্গে নিজের বন্ধুকে তুলে ধরতে গিয়ে পাঠকের কাছে অতি সহজ বর্ণনায় পরিচয় করিয়ে দিলেন একজন সমাজ হিতৈষী নির্ভীক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও পরোপকারী সুপুরুষ জনাব মোহাম্মদ উল্যাকে। সযত্নে তুলে ধরা লেখাটি না পেলে হয়তো আমরা জানতেও পারতাম না এমন একজন মহান প্রাণ ব্যক্তিকে। সম্পর্কে লেখকের বেয়াই হলেও কর্মবীর এ সমাজ হিতৈষীকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা নিতান্ত প্রয়োজন ছিলো বৈকি!
 
প্রবন্ধঃ সভ্যতা বনাম অসভ্যতা;
মহান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির মহাপরিসীমার দৃষ্টান্ত তুলে এনে সভ্যতার ক্রমবিকাশ ও মানবজীবনে এর গুরুত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আবার সভ্যতার স্বরূপ চিত্রায়িত করতে গিয়ে বিবেক, শালিনতাবোধ, নীতি-নৈতিকতা, বিনয় ও মানব কল্যাণের মতো বিষয়গুলোকে সভ্যতার জন্য অপরিহার্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চলমান সামাজিক অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে লেখকের আলোচনা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
প্রবন্ধঃ সন্দ্বীপের হারানো ঐতিহ্য
নৈসর্গিক সৌন্দর্যের রানী দ্বীপমাতা সন্দ্বীপের অপরূপ রূপশোভায় মুগ্ধ লেখক সাদাসিদে বর্ণনায় তুলে এনেছেন সমুদ্রবক্ষে এ দ্বীপের জেগে উঠা থেকে মনুষ্য বসতির শুরু, কালে কালে এর বিস্তৃতি এবং পরবর্তীতে প্রমত্তা মেঘনার ভাঙ্গনের খেলায় নদীগর্ভে বিলীন হওয়া বিস্তৃত এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না। সহজ বর্ণনায় চিত্রিত করেছেন এ দ্বীপের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্যে ও কৃষ্টিকে।
 
প্রবন্ধঃ শৈশব স্মৃতি
লেখক তাঁর শৈশব ও কৈশোরের অদম্য উদ্দীপনা ও দূরন্তপনাকে পাঠকের কাছে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন তৎকালীন সমাজচিত্রের সাবলিল বর্ণনায়। সেই সাথে শৈশবের দূরন্তপনায় বিপদে পড়লেও নিছক গুজবের বশে তারই এক চাচা কতটা বিপদ ও অপবাদের শিকার হয়েছিলেন তারও বর্ণনা রয়েছে। তেমনি নিজের সরল স্বীকারোক্তিতে সত্য বর্ণনায় চাচাকে অপবাদ থেকে রক্ষার ঘটনায় নব প্রজন্মের জন্য শিক্ষনীয় উপকরণ রেখেছেন এখানেও।
 
প্রবন্ধঃ স্মরণে আসে যারে, হারিয়ে খুঁজি ফিরি তারে, প্রসঙ্গ: এ.বি.এম ছিদ্দিক চৌধুরী
এ প্রবন্ধে লেখক সন্দ্বীপের এক অমিত উদ্যমী কবি, শিল্পী, সাহিত্যক ও আলোকিত মানুষদের প্রেরণার বাতিঘর প্রয়াত এ.বি.এম ছিদ্দিক চৌধুরী ও তার জীবনকর্মকে তুলে ধরেছেন পাঠকদের কাছে যা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে লেখকের দায়বদ্ধতাকে পুরণ করার সরেস প্রয়াস।
 
প্রবন্ধঃ হালিমা খাতুন, সন্দ্বীপের নারী শিক্ষার অগ্রদূত
বাঙলার নারী জাগরণের অগ্রদূত যেমন বেগম রোকেয়া তেমনি এ অঞ্চলের প্রত্যন্ত গাঁয়ের নিভৃত পল্লীতেও যে বহু মহিয়সী নারী সমাজ জাগরণ ও শিক্ষার বিকাশে তাদের সাহসী কর্মের দ্যুতি ছড়িয়েছেন তা চিত্তাকর্ষক বর্ণনায় ফুটিয়ে তুলেছেন লেখন। বিষয়টি এ যুগের পাঠকদের জন্য যেমনি শিক্ষনীয় তেমনি উৎসাহ ব্যঞ্জক।
প্রবন্ধঃ স্বাক্ষরতা অভযান;
দ্বীপমাতাকে নিরক্ষতার কবল থেকে চিরতরে মুক্ত করতে দামাল ছেলেদের সমন্বয়ে বিদ্যুৎসাহী সমাজহিতৈষি ব্যক্তিদের একটি যুগান্তকারী মহতি উদ্যোগকে তুলে ধরা হয়েছে এ প্রবন্ধে।
এছাড়াও ৭৯ বছরের এক বুড়োর প্রেমপত্র প্রবন্ধে বাংলার ঋতুবৈচিত্রের বৈশিষ্ট এবং শীত দরিদ্র মানুষের কষ্টের প্রতি সহানুভূতিশীল লেখকের গ্রীষ্মের প্রতি অনুরাগের পরিস্ফুটন ঘটেছে। জনাব মাহফুজুর রহমানের নিকট খোলা চিঠি শিরোনামের ৫টি চিঠিতে লেখক সন্দ্বীপের জনপ্রতিনিধির কাছে দ্বীপের বিদ্যমান সমস্যাগুলোকে তুলে ধরে সেগুলো সমাধানে ব্রতী হওয়ার আহবান জানিয়েছেন। মূলত লেখক দ্বীপ জনপদের প্রতি তাঁর প্রগাঢ় ভালোবাসাকে তুলে ধরতে গিয়ে সন্দ্বীপের কৃষ্টি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সমস্যাগুলোকে চিত্রিত করেছেন স্বকীয় বর্ণনায়। স্বল্প পরিসরে সকল এতগুলো প্রবন্ধের আলোকপাত অসম্ভব। তাই মাত্র কয়েকটি প্রবন্ধের চুম্বকীয় কিছু অংশ অংশ আলোচনায় এসেছে।
 
শেষ কথাঃ শৈল্পিক মুন্সিয়ানা ও সমসাময়িক কালের ছকবাধা আধুনিকতার বিচারে লেখকের প্রবন্ধগুলোকে শতভাগ সার্থক বলা না গেলেও সেগুলো পাঠে পাঠকের মুগ্ধতা ও সমৃদ্ধতার অপার সুযোগ অবারিতই রয়েছে বলা যায়। বইটির নামকরণ সন্দ্বীপের প্রতি ভালোবাসা থেকে এবং বিষয়বস্তুও সন্দ্বীপের ভালোবাসায় সিক্ত। সে দৃষ্টিকোন থেকে নামকরণকে সার্থক বলা চলে।
প্রচ্ছদ ও ছাপা সুন্দর ও ঝকঝকে যা যে কোন পাঠকের আকর্ষণ সৃষ্টি করবে সহজেই। মুদ্রন প্রমাদগুলো এড়াতে পারলে তা আরো চমৎকার হতো। সার্থক প্রবন্ধের কাঠামোগত সংজ্ঞা ও নিয়মের বেড়াজাল বাদ দিলে মাটি ও মানুষের কথা তুলে ধরার যে প্রয়াস তাকে উপেক্ষা করার সুযোগ দেখা যায় না মোটেই। যাদের মাঝে জীবন কাটিয়েছেন তাদের সহজ সরল আঞ্চলিক ভাষা ও চলিত ভাষার আশ্রয়ে নিজস্ব বর্ণনায় এতদাঞ্চলের ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সমাজ বাস্তবতা ও অনুভূতিগুলোকে চিত্রায়িত করার চেষ্টা সুস্পষ্ট। প্রবন্ধগুলোতে সামাজিক উপাখ্যান যেমন ফুটে উঠেছে তেমনি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ও নৈতিক শিক্ষার একটি দিকনির্দেশনেও সুষ্পষ্ট হয়েছে।
সবচেয়ে বড় কথা, লেখকের প্রবীণ বয়সের প্রাণ প্রাচুর্যের তারুণ্য ও স্বভূমের প্রতি অমিত দরদ এবং পরবর্তী প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতার যে পরিচয় পাওয়া যায়, তাতে মুগ্ধ না হওয়াটা নিতান্তই জড়তা বলে মনে হয়।
তাইতো তাঁকে দেখলেই মনে পড়ে যাই, নজরুলের সে বিখ্যাত উক্তি-
“তারুণ্যকে সব সময় বয়সের প্রেমে বাঁধা যায় না। বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের উর্দীর নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি। আবার বহু বৃদ্ধকে দেখিয়াছি যাহাদের বার্ধক্যের জীর্ণবরণের তলো তেজোদীপ্ত সূর্যের মতো প্রদীপ্ত যৌবন”।
তাঁর এ অফুরাণ তারুণ্য আর নিজ মাতৃভূমির প্রতি অকৃত্রিম দরদ আমাকে এতোটাই আপ্লুত করে যে, সময়ের অভাবে অনেক প্রথিতযশা লেখকের বই যেখানে দীর্ঘ সময় অপাঠ্য থেকে আমার জ্ঞানতৃষ্ণার দীনতাকে ব্যঙ্গ করে সেখানে কেন যেন উনার বইগুলো পড়ার জন্য ঠিকই সময় বেড় করে ফেলি। সত্যি বলতে কি, এই আকর্ষণটা যতটা না সাহিত্য রসের সম্ভার আর শিল্পগুণের সমাহারের তৃপ্তি, তার চাইতে অনেক বেশি গ্রন্থকারের মাতৃভূমি প্রীতি ও অমিত তারুণ্যের স্বীকৃতি।
 
মহান আল্লাহ মেধাবী এ শিক্ষকের নব নব সৃষ্টিশীল কর্মের মাধ্যমে সমাজকে সমৃদ্ধ করুন এবং মানব কল্যাণে ব্যাপৃত থাকার এ অফুরন্ত উদ্যম অটুট রাখুন সেটাই প্রত্যাশা রইলো।
এম. এ. হাশেম আকাশ
সাধারণ সম্পাদক
বাঙলা সাহিত্যচর্চা ও বিকাশ কেন্দ্র, চট্টগ্রাম

Comments

comments

Close