শনিবার, ৮ মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চটগ্রাম বিভাগ, প্রচ্ছদ সন্দ্বীপে বাজার নিয়ন্ত্রনকারী মজুদদারদের বাদ দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার অভিযোগ

সন্দ্বীপে বাজার নিয়ন্ত্রনকারী মজুদদারদের বাদ দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার অভিযোগ


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ | প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ২৬, ২০২০ , ৯:৫৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: চটগ্রাম বিভাগ,প্রচ্ছদ


সন্দ্বীপে বাজার নিয়ন্ত্রনকারী মজুদদারদের বাদ দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার অভিযোগ সন্দ্বীপের দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রনকারী বা বড় মজুদদার হলো উপজেলা কমপ্লেক্স,সেনের হাট ও তালতলীর গুটিকয়েক ব্যবসায়ী।

বিশেষ করে রাসেল ব্রাদার্স, হাজী আব্দুল হান্নান এন্ড সন্স, লাতু সওদাগরের দোকান, দিদার সওদাগর, মোশারফ সওদাগর, তৈয়ব সওদাগর, রাসেল ব্রাদার্স, তাজু মেম্বার, জাফর সওদাগর, শামছুল এন্ড সন্স, মেলিটারী কামাল, অলক সাওদাগর সহ যাদের উপর নির্ভর করে আজকের দ্রব্য মুল্য কেমন হবে সেটা।

আর করোনা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে সন্দ্বীপের সেই ব্যবসায়ীরা অস্থীতিশীল বাজার তৈরি করায় তা প্রতিরোধে বা দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির লাগাম টানতে আজ অনেক দিন পর্যন্ত সন্দ্বীপের প্রতিটি হাট বাজারে পর্যায়ক্রমে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হচ্ছে সন্দ্বীপ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে।

এই উদ্যোগ সাধারন জনগনের কাছে সাধুবাদ পেলেও সত্যিকারে বাজারে দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতির কোন পরিবর্তন হয়নি। শুধু ব্যবসায়ীদের জরিমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে।তাই এর কারন খুঁজতে গিয়ে জানাগেলো ভিন্ন কিছু তথ্য। তাতে উঠে এসেছে প্রশাসনের লোক দেখানো ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার অভিযোগ। কারন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন আজ এক মাস পুর্ব হতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা হচ্ছে দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির মুল আখড়াকে বাদ দিয়ে। অর্থাৎ কমপ্লেক্স, সেনের হাট ও তালতলীর ব্যবসায়ীকে বাদ দিয়ে। এটা অনেকটা নিজের বগলে সুঁচ রেখে পুরো বাড়িতে খোঁজার মতো অবস্থা। এটা প্রশাসন অনেকটা ইচ্ছাকৃত বা জেনেশুনে করছে বলে এমনটা মন্তব্য করছেন অনেকে। কারন এদের লাগাম টানতে না পারলে সন্দ্বীপে কখনো দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব নয়। তাহলে যেগুলোতে সবার আগে রেড করার কথা কোন অদৃশ্য কারনে সেই বাজারগুলোতে অভিযান করা হয়নি তা অনেকটা ওপেন সিক্রেট বলেও মন্তব্য করতে ছাড়েননি ভোক্তা অধিকার নিয়ে যারা কথা বলেন তারা।

অভিযোগ রয়েছে, এসব ব্যবসায়ী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় কর্তব্যরত ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে ভুয়া ক্রয় রশিদ উপস্থাপন করে।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার আন্দোলনের নেতা সাইফুল ইসলাম ইনসাফ বলেন,পাইকার কত টাকা দিয়ে দিয়ে মাল ক্রয় করেছে সেটা ধর্তব্য বিষয় হতে পারে না, দেশের অন্য বাজারে বা এলাকার মোকামে মালের দাম কত চলছে সেটা দিয়ে দাম নির্ধারণ করতে হবে।

অন্যদিকে উপজেলা প্রশাসনের ফেইসবুক আইডি থেকে কোন দিন কোথায় অভিযান পরিচালিত হবে সেটা পোস্ট দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ফলে এটা ঢাকঢোল পিটিয়ে আমরা আসছি তোমরা সতর্ক থাকো বার্তা পৌঁছে দেওয়ার নামান্তর বলে উল্লেখ করেন সোশাল ওয়ার্কার মাসুদ পারভেজ। যার পিছনে অনৈতিক কারন থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ মামুন ফোনালাপে এ প্রতিবেদককে বলেন আমি এগুলোতেও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছি। এখন ঐ সমস্ত দোকান গুলোতে মুল্য স্থিতিশীল আছে। তবে একটা কথা সত্য যে তাদের কাছে প্রচুর পন্য মজুদ রয়েছে। বাকি অভিযোগ ঠিক নয়।

Comments

comments

Close