রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চটগ্রাম বিভাগ, প্রচ্ছদ, স্বাস্থ্য ব্যাংক গ্রাহকদের জটলার কারনে রোগের বিস্তার ঘটলে এর দায় কার ?

ব্যাংক গ্রাহকদের জটলার কারনে রোগের বিস্তার ঘটলে এর দায় কার ?


পোস্ট করেছেন: বার্তা | প্রকাশিত হয়েছে: এপ্রিল ১৫, ২০২০ , ৭:০০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: চটগ্রাম বিভাগ,প্রচ্ছদ,স্বাস্থ্য


বাদল রায় স্বাধীন
 
ন্যাশনাল ব্যাংক সন্দ্বীপ উপজেলা শাখা লোকে লোকারন্য ছিলো সকাল ১১টা পর্যন্ত ।করোনা জীবানু প্রতিরোধে যেখানে সামাজিক সুরক্ষা বজায় রাখতে প্রশাসন সহ সর্বোস্তরের জনগন মরিয়া হয়ে উঠেছেন তখন সন্দ্বীপে ন্যাশনাল ব্যাংকে দেখা যায় নিয়ম কানুনের কোন বালাই নেই। দোতলা ভবন থেকে উপজেলা গেইট পর্যন্ত প্রায় ২০০ গ্রাহক একজন অন্যজনের সাথে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষেরও সেই বিষয়ে উদাসীনতা পরিলক্ষিত হয়। ব্যাংকের মুল দরজায় একজন দোরোয়ান ছাড়া কোন দারোয়ান নেই। সামাজিক দুরত্বের সামান্যটুকু ব্যবস্থা না করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছিলো।
 
পরে সংবাদ কর্মীরা তা ভিডিও করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মামুনকে অবহিত করলে তিনি প্রথমে ব্যাংক ম্যানেজারের সাথে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করেন। এরপর তিনি নৌ-বাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন সহ ব্যাংক ম্যানেজার মোঃ শাহাদাৎ হােসেনকে ভীর কেন জানতে চাইলে বলেন গ্রাহকদের দুরত্ব বজায় রাখতে বলে আমরা ব্যার্থ হয়েছি।
 
এরপর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নৌ-বাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় ৩০ মিনিট অবস্থান করে সবাইকে নিরাপদ দুরত্বে দাঁড় করিয়ে নৌ-বাহিনকে সেখান অবস্থান করিয়ে লেনদেন নিশ্চিত করেন।
 
সংবাদ কর্মী ও সুশীল সমাজের বক্তব্য তারা যদি সামাজিক দুরত্ব রক্ষায় ব্যার্থ হয় তাহলে প্রশাসনের সহযোগিতা চাইনি কেন? মুলত কর্মকর্তারা নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে জনগনের বিষয়টি উদাসীন ভাবে দেখেছেন বা তাদের নিরাপত্তার প্রয়োজন মনে করেননি।
 
এমন ভাবে ব্যাংক পরিচালনা করলে মহামারি করোনার জীবানু প্রতিরোধের পরিবর্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা।
এজন্য তারা নিচে থেকে হয়তো গ্রাহকদের সিরিয়াল নাম্বারের ব্যবস্থা করে দুরত্ব নিশ্চিত করতে পারে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রাহক।
নতুবা কয়েকজন সিকিউরিটি গার্ড রেখে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখতে পারে।
 
অন্যথায় এমন জটলার কারনে রোগের বিস্তার ঘটলে এর দায় নেবে কারা?

Comments

comments

Close