বুধবার, ৩ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রচ্ছদ, বিভাগীয় সংবাদ, স্বাস্থ্য সোনারগাঁয়ে অসহায় প্রতিটি মানুষের ঘরে নিজ হাতে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন এম পি খোকা

সোনারগাঁয়ে অসহায় প্রতিটি মানুষের ঘরে নিজ হাতে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন এম পি খোকা


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ৪ | প্রকাশিত হয়েছে: এপ্রিল ২০, ২০২০ , ১:২৮ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: প্রচ্ছদ,বিভাগীয় সংবাদ,স্বাস্থ্য


নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা। করোনা প্রাদুর্ভাবের এই সময়ে অসহায়দের জন্য ছুটছেন দুয়ারে দুয়ারে।

কখনও খাবার প্যাকেট হাতে প্রতিবন্ধীর ঘরে, কখনও চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কাছে, কখনও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে দোকান-পাট হাটবাজারে—এভাবে চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। করোনায় শুরু থেকেই নির্বাচনী এলাকায় পড়ে আছেন লিয়াকত হোসেন খোকা।

জানা গেছে, সোনারগাঁও এলাকায় এ পর্যন্ত ২৮ হাজার বিভিন্ন পেশার মানুষকে খোকার পক্ষ থেকে নগদ টাকা, খাদ্যসামগ্রী, ত্রাণ ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন ওয়ার্ডে খাদ্যসামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। খোকার ব্যক্তিগত বরাদ্দ থেকে সোনারগাঁও পৌরসভায় ১৫০০ প্যাকেট, নোয়াগাঁও ইউনিয়নে ২ হাজার প্যাকেট, পিরোজপুর ইউনিয়নে ১৪০০ প্যাকেট, মোগড়া পাড়া ইউনিয়নে ১ হাজার প্যাকেট, শম্ভুপুরা ইউনিয়নে ১ হাজার প্যাকেট, বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নে ১২০০ প্যাকেট, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১৮৯ প্যাকেট, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য ৬০ প্যাকেট, রিকশা চালকদের জন্য ১ হাজার প্যাকেট, অসহায় নারী ও শিশুদের জন্য ১ হাজার প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

৩ হাজার সিএনজি চালকের জন্য ৩ হাজার প্যাকেট, বাদ যায়নি ট্রাকচালক, বাসচালক, মোটরচালক, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক, মুচি, জেলেসহ নিম্ন আয়ের বিভিন্ন পেশার মানুষও। প্রতি প্যাকেটে চাল, ডাল, তেল, চিনি, আটা, লবণ, আলু, পিঁয়াজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ব্লিচিং পাউডার ও স্প্রে মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

এলাকার অবস্থা কী—জানতে চাইলে মুঠোফোনে রাইজিংবিডিকে লিয়াকত হোসেন খোকা বলেন, ‘আলহামদুল্লিাহ। জানেন তো নারায়ণগঞ্জ করোনায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। আমরাও শঙ্কিত। নির্বাচনী এলাকা নিয়েই আছি। তারাই এখন আমার আপনজন।’তিনি বলেন, বেশি করে করোনা পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আশা করছি এখন থেকে আমার এলাকায় বেশি করে করোনা পরীক্ষা হবে।

তিনি লকডাউন আরো কড়াকড়ি করার জোর দেন, যাতে কোনওভাবেই মানুষ ঘরবাড়ি থেকে বের না হন।

খোকা বলেন, করোনার শুরুতে স্থানীয় প্রশাসন, চেয়ারম্যান মেম্বারদের সঙ্গে আলোচনা করে দরিদ্র, শ্রমিকসহ পেশাজীবী ধরে ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা করেছি। ২৮ হাজার মানুষের তালিকা হয়েছে। এটি ৪০ হাজার পর্যন্ত হবে। এসব মানুষের দেখাশুনার জন্য আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ সবাইকে নিয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক টিম করেছি। আমি নিজেই খাদ্য, ত্রাণ ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার পৌঁছে দিয়েছি। আমাদের স্বেচ্ছাসেবক টিম যে যেভাবে পারছেন সবকিছুই পৌঁছে দিচ্ছেন। আমরা হটলাইন চালু করেছি। আমি নিজেই দুয়ারে দূয়ারে যাচ্ছি।

এলাকাবাসীকে করোনামুক্ত রাখতে পারলেই শ্রমের সার্থকতা মনে করেন খোকা। তিনি চিকিৎসক, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্বেচ্ছাসেবক টিমের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

Comments

comments

Close