শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
কৃষি, ঢাকা বিভাগ, প্রচ্ছদ, রাজনীতি গাজীপুর মহানগরের গাছার যুবলীগ সভাপতি পদপ্রার্থী ও নেতাকর্মীরা “শেখ হাসিনার” নির্দেশে কৃষকের ধান কেটে ও মাড়াই করে দিলেন

গাজীপুর মহানগরের গাছার যুবলীগ সভাপতি পদপ্রার্থী ও নেতাকর্মীরা “শেখ হাসিনার” নির্দেশে কৃষকের ধান কেটে ও মাড়াই করে দিলেন


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ৪ | প্রকাশিত হয়েছে: মে ৩, ২০২০ , ১০:৩৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: কৃষি,ঢাকা বিভাগ,প্রচ্ছদ,রাজনীতি


খান সাহেব ঃ

সফল রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলার যুব বন্ধু যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল এমপি ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক এবং গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সফল আহবায়ক আলহাজ্ব কামরুল আহসান সরকার রাসেল ভাইয়ের নির্দেশে, গাছা থানা যুবলীগ পদপ্রার্থী আমিন উদ্দিন সরকারের নেতৃত্বে কৃষকের ধান কেটে দেন।

এসময় ধানকাটা কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর গাছা থানা যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ মোল্লা, যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলাম শ্যামল, এম রহমান রাসেল,
শফিকুল ইসলাম রুবেল, ৩৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী জাহিদুল ইসলাম রিয়াজ,৩৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী, ৩২নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী জামান মিয়া, ৩৩নং ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সাইফুল ইসলাম রিফাত, গাছা থানা ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ডাক্তার কাজী শরীফ ও সাংগঠনিক সম্পাদক রকি মুন্সি, গাছা থানা কৃষকলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন ও দপ্তর সম্পাদক মোঃলিয়াকত সহ নেতাকর্মীরা।

এসময় কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে দেন নেতৃবৃন্দ। করোনা ভাইরাসের কারণে কৃষক ধান কাটা শ্রমিক নিয়ে যতদিন সমস্যায় থাকবে ততদিন তাদের এ ধারা সামনের দিনগুলোতে অব্যাহত থাকবে বলে জানান যুবলীগ নেতা আমিন উদ্দিন সরকার।

করোনা সারা বিশ্বে এক প্রাণঘাতী রোগ। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ করুণা নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। ইতিমধ্যে মৃতের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশেও এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে দিন দিন। প্রতিদিন নতুন নতুন মানুষ প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছ। গেল ৮ মার্চ বাংলাদেশ প্রথম করোনা রোগী ধরা পড়ে। এরপর থেকেই একের পর এক এলাকা লকডাউন ঘোষণা করা হয়। মানুষ হয়ে যায় গৃহবন্দ। এদিকে লকাউনে গৃহবন্দী মানুষগুলো পরিবার, পরিজন নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে।

সরকার বা জন প্রতিনিধিদের থেকে যে ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে তা নিতান্তই অপ্রতুল। খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষ গুলো যা ত্রাণ পাচ্ছে তা দিয়ে তাদের মাত্র কয়েকদিন চলে। তারপর থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে যায়। কি করে তারা তাদের সন্তান তথা পরিবারের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিবে এ চিন্তায় বিভোর হয়ে আছে খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষ।

এদিকে এখন বোরো মৌসুম। সোনালী ধানে ঝলমল করছে কৃষকের বিস্তীর্ণ মাঠ। কিন্তু সে ধান কি করে ঘরে তুলবে সে চিন্তায় তাদের ঘুম হারাম। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে যে ধান কাটা শ্রমিক প্রতিবছর আসতো। অতঃপর সেসকল শ্রমিকদের মাধ্যমে ধান কাটিয়ে কৃষকেরা তাঁদের গোলা ভরে রাখতে সারা বছরের জন্য।
যাতে করে সারাটি বছর পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে শান্তিতে কাটাতে পারে। কিন্তু এ বছর বিধিবাম। করোনার কারণে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। গণপরিবহনের অভাবে আসতে পারছে না সময়মতো ধান কাটার শ্রমিকেরা। ধান কাটতে পারছে না কৃষকের। এ নিয়ে যেন দুশ্চিন্তার শেষ নেই তাদের। এই যখন অবস্থা তখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যিনি সবসময় সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করেন।

সাধারণ মানুষের কি করে ভালো হবে সেই চিন্তায় তিনি ব্যস্ত সময় পার করেন। মাননীয় নেত্রী সারাদেশের আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ,যুবলীগ, কৃষক লীগ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে করে তারা এই দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। যেহেতু কৃষকরা ধান কাটার শ্রমিক পাচ্ছে না তাই নেতাকর্মীরা যাতে করে ধানকাটায় সহযোগিতা করে এরকম নির্দেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই প্রদান করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী সারাদেশের নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যেই কৃষকের জমির ধান কেটে সোনালী ফসল ঘরে তুলতে তাদের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

তারই অংশ হিসেবে গাজীপুর মহানগর যুবলীগ ইতিমধ্যেই অধিকাংশ কৃষকের ধান কেটে দিয়েছেন। গাজীপুর মহানগর যুবলীগ গাছা থানা যুবলীগ সভাপতি পদপ্রার্থী আমিন উদ্দিন সরকার তার নেতাকর্মীদের নিয়ে মহানগরের ৩৩নং ওয়ার্ড কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে তা কৃষকের গোলায় উঠাতে দিনব্যাপী সহযোগিতা করেন।

আমিন উদ্দিন সরকারের এই মহতী উদ্যোগকে এলাকার কৃষকসহ সাধারণ মানুষ স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, যুবলীগ যেভাবে কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছে তাতে আমরা আনন্দিত। আমরা শ্রমিক পাচ্ছিলাম না। তাই মাঠে সোনালী ধান নিয়ে আমাদের চিন্তার শেষ ছিল না। কারণ কখন বৃষ্টি নামে অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়। তখন আর আমরা আমাদের কাঙ্খিত ফসল ঘরে তুলতে পারবো না।

এই চিন্তার অবসান করেন গাজীপুর মহানগরের যুবলীগ নেতাকর্মীরা। আমরা তাদের এই মহৎ কাজের জন্য আবার ও তাদেরকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।

Comments

comments

Close