শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, আজকের পত্রিকা, প্রচ্ছদ, রংপুর বিভাগ, শিক্ষাঙ্গন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার রেজিষ্ট্রিশন করেন নি, প্রাধান শিক্ষক।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার রেজিষ্ট্রিশন করেন নি, প্রাধান শিক্ষক।


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২০, ২০২০ , ৯:০৯ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,আজকের পত্রিকা,প্রচ্ছদ,রংপুর বিভাগ,শিক্ষাঙ্গন


গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।।
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার  দক্ষিণ পাঁচগাছি শান্তিরাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীদের সমাপনী পরিক্ষার রেজিষ্ট্রিশন করেন নি, প্রধান শিক্ষক।
গত ২০ জুন শনিবার বেলা ১.৩০ টায় স্কুলের সহ-সভাপতি মোজারুল মান্নান জানান তার ছেলে রিজওয়ান দক্ষিণ পাচঁগাছি শান্তিরাম বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র।
প্রথম শ্রেণী থেকে পড়া-লেখা করে পঞ্চম শ্রেণীতে উঠেছেন।
ঐ বিদ্যালয়ে বরাবরেই তার সন্তান রিজওয়ান প্রথম হয়ে আসছেন, যাহার রোল নং ১ ।
 এবং তার সহ-পাঠি, শিপন,সুলতানা,রোজিনা,সুমি,শিপন,রেজিষ্ট্রিশন না করায়  ২০২০ সালের সমাপনী পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত।
শিশুদের বাবামার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহেদুল ইসলাম, বলেছেন ছাত্র ছাত্রীদের পড়া শুনা ভালো নয়, পরীক্ষা দিতে ভালো কাপড় চোপড়সহ যাতায়াত করতে অনেক টাকা খরচা হবে, অযথা টাকা নষ্ট করার দরকার কি।
এর মধ্যে অনেক ছাত্রীর বিয়ে হয়ে যাবে,
একথা বলেই রেজেষ্ট্রিশন করেনি প্রধান শিক্ষক ।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, স্কুলটি এক সময় পাঁচগাছি শান্তিরাম গ্রামের ছাত্তার মিয়ার পারিবারিক কবর স্থানের সাথে পরিত্যাক্ত জায়গায় ভাড়া হিসাবে ছিল।
স্কুলটির নিজস্ব কোন জমি আদউ আছে কি না বলা মুসকিল।
ছাত্তারের সাথে বিরোধ হওয়ায় প্রধান শিক্ষক স্কুলটি তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন।
সরকারি শেষ কোর্টায় স্কুলটি জাতীয়করণ হয়।
যে স্কুলটির নিজের জায়গা জমি, ঘর দরজা নেই ।
সেই স্কুলটি কোন খুঁটির বলে জাতীয়করণে স্থান পেল, বিষয়টি এলাকাবাসীর কাছে একেবারেই  বোধগম্য নয়।
শিক্ষক নিয়োগে লক্ষ লক্ষ টাকা বানিজ্য ও অবোকাঠাম নির্মাণের টাকা প্রধান শিক্ষকের নিজ পকেটে।
সর্বোপরি দক্ষিণ পাঁচগাছি শান্তিরাম গ্রাম বলতে কোন গ্রামই নেই।
বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে সরকারী নজর দারী একান্তই প্রয়োজন ও অন্যথায় অকালেই ঝড়ে যাচ্ছে শিক্ষা জীবন।
বিদ্যালয়টির জায়গা জমি আছে কিনা, ভালো মানের শিক্ষা হয় কিনা, ভুয়া ঠিকানায় জাতীয়করণ করার বিষয়টিসহ সব মিলিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য, রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্তকর্তার মাধ্যমে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহলসহ স্থানীয় এলাকাবাসী

Comments

comments

Close