বুধবার, ৩ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আজকের পত্রিকা, প্রচ্ছদ, শিক্ষাঙ্গন ধুনটে স্কুল শিক্ষিকা ফৌজিয়া বিথীর ব্যতিক্রম উদ্যোগ

ধুনটে স্কুল শিক্ষিকা ফৌজিয়া বিথীর ব্যতিক্রম উদ্যোগ


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২১, ২০২০ , ৫:৫৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আজকের পত্রিকা,প্রচ্ছদ,শিক্ষাঙ্গন


ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ

বগড়া ধুনট উপজেলার পল্লীতে এক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফৌজিয়া হক বিথীর বাড়ীর পালিত ছাগল জবাই করে গোস্ত বিলিয়ে দিলেন লকডাউনে কর্মহীন অসহায় বিধবা পঙ্গু মানুষের মাঝে। ধুনট উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক এর মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা ফৌজিয়া হক বিথি। ধুনটের এই উর্বর মাটিতে বেড়ে ওঠা তার শিশু কিশোর জীবন।

ফৌজিয়া হক বিথী বলেন নারীর মানবিক গুণাবলিই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই শক্তি ব্যবহার করে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারলে তবেই সমাজে নারীর অবস্থান শক্ত হবে। তিনি অসহায় নির্যাতিত মানুষের কল্যাণে পথচলার এক যুগ ধরে কাজ করছেন নারীদের অধিকার নিয়ে । গরিব অসহায় মানুষকে তিনি সবসময় ভালবাসতেন এবং নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতেন। তিনি অসহায় মানুষের পাশে থেকে জীবন শেষ করতে চায় । ফৌজিয়া হক বিথি নারীদের পাশে দাঁড়াতে কোন দিন অবহেলা করেনি। নির্যাতিত নারী, অসহায়, মেহনতি মানুষের পাশে থেকে সৎ সাহসকিতা নিয়ে প্রতিবাদের ভাষায় বার বার জেগে ওঠেছেন তিনি। শুধু তাই নয় এই করোনায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন শুরু থেকেই।

বেলকুচি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ও মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হোসেনের কন্যা ফৌজিয়া হক বিথি ছাগল জবাই করে গোস্ত রাতেই ৩০ টি পরিবারে পৌঁছে দেন। এ বিষয়ে স্কুল শিক্ষিকা ফৌজিয়া হক বিথী বলেন অসহায় দুস্থ্যদের করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে আমি কাজ করছি। স্কুল বন্ধ তাই বাসায় সেলাই মেশিনে দুই হাজার মাস্ক তৈরি করে মানুষের মাঝে বিতরণ করেছি। আমরা লক ডাউনে বাড়িতে বসে ভালোমন্দ খাচ্ছি। কিন্তু লকডাউনে গ্রামের কর্মহীন মানুষেরা কি খাচ্ছে না খাচ্ছে ,এই কথা চিন্তা করে নিজের পালিত ছাগল জবাই করে আমার বাড়ির আশে পাশে ৩০ টি পরিবারে নিজ হাতে পৌঁছে দিয়েছি। অন্তত একদিন ভালো খাবার খেতে পারবে। আমরা যদি যে তার মত আশে পাশে মানুষের খোঁজ নেই। তাদের পাশে দাড়াই তাহলে কেউ না খেয়ে থাকবেনা।

শুধু তাই নয় বিশেষ করে নির্যাতিত নারীদের বিচার পেতে সবার আগে এগিয়েছেন এই নারী। তার ভাষ্যমতে অনেক নির্যতিত নারীর পাশে দাঁড়িয়েছে দুই যুগে। নির্যাতিত নারীরা তাদের পারিবারিক বন্ধন ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে অনেকের জন্য গিয়েছেন তিনি। তার কারণে অনেক নারীই ফিরে পেয়েছে স্বপ্নের সুখের নীড়। তিনি সমাজসেবা ও মানবিক কাজের কল্যাণে অবদান রাখায় অনেক বার পুরষ্কারও পেয়েছেন ।

Comments

comments

Close