রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অর্থ ও শিল্প, আজকের পত্রিকা, তৃতীয় পাতা, প্রচ্ছদ, প্রাক্রিতিক দূর্যোগ করোনা পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ শেষ হচ্ছে এনজিওর ৩০ জুন ।

করোনা পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ শেষ হচ্ছে এনজিওর ৩০ জুন ।


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২৩, ২০২০ , ৭:০১ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অর্থ ও শিল্প,আজকের পত্রিকা,তৃতীয় পাতা,প্রচ্ছদ,প্রাক্রিতিক দূর্যোগ


আলীহোসাইন স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রামঃ
করোনা পরিস্থিতির ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই অনেক স্থানে এনজিওগুলোর ঋণের কিস্তি আদায় শুরু হয়ে গেছে। তার ওপর কিস্তি আদায়ের সরকারি বিধিনিষেধ শেষ হচ্ছে আগামী ৩০ জুন।
করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ও আয় রোজগার না হওয়ায় কিস্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে ক্ষুদ্র ঋণগ্রস্ত সাধারণ মানুষ।

সরকারি বিধিনিষেধের মধ্যেই বিভিন্ন শহর নগর গ্রামসহ অনেক স্থান থেকে কিস্তি আদায়ের  অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও আগামী সপ্তাহ থেকে পুরোদমে কিস্তির টাকা পরিশোধের কথা বলে গেছেন কিস্তির মাস্টাররা (যিনি টাকা আদায় করেন)।

ফলে আয় রোজগার স্বাভাবিক না হওয়ায় কিস্তি পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় অনেকেরই ঘুম হারাম হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এ নিয়ে কথা হয় চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানাধীন আমিন শিল্পাঞ্চল এ ওয়ান প্রপ্রার্টিজের ক্ষুদ্র হোটেল ব্যবসায়ী মোঃজহির মিয়ার সঙ্গে।তিনি বলেন যে আমরাতো শুনেছি  জুন মাস পর্যন্ত কিস্তি আদায় বন্ধ থাকবে।কিন্তু গত সপ্তাহেই কিস্তি আদায়কারী মাস্টার এসেছিলেন কিস্তির টাকা নিতে,আর এ সময় অপারগতা প্রকাশ করলে আগামী সপ্তাহ থেকে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করতে হবে বলে জানিয়ে গেছেন তিনি।দেশের অন্যান্য  জেলা থেকেও এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

জহির মিয়া আরও বলেন যে আমি এনজিওর আশা সমিতি থেকে টাকা নিয়েছি।তাছাড়া আরও দুটি সমিতি থেকে লোন নিয়েছি,এরকম আরো অনেকই রয়েছেন তারা বিভিন্ন সমিতি থেকে টাকা নিয়ে এখন হিমশিম খাচ্ছেন।তাদেরও একই উক্তি তারা বললেন যে ব্যক্তিগত ফ্যামিলিগত রয়েছে অর্থনৈতিক সংকট।আমরা মধ্যবিত্তরা যারা শহরে বন্দরে আছি,এই সংকটময় দিনে কোন নেতা বা সংগঠন থেকে পাচ্ছিনা কোন প্রকারের এান সহায়তাও।

এরিমধ্যে করোনার কারণে আয় রোজগার কমে গেছে,এ অবস্থায় কিস্তি শুরু হলেও বিপাকে পড়তে হবে। কেননা এখন পেটের ভাত জোগার করাটাই কঠিন হয়ে পড়েছে।তারা আরও বলছেন আমরা অতীতে জীবন যাপন করতে গিয়ে যাদের সাথে লেনদেন করে এসছি যাদের কাছে পাওনাদার আমরা,তারা কিন্তু একটাই অজুহাত দেখাচ্ছে এখন সমস্যা লকডাউন চলছে এখন টাকা পরিশোধ করা মোটেও সম্ভব না।

আর এ অজুহাত সমিতি কিস্তি বা ব্যাংকের বেলায় মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।তাহলে বুঝা গেল আমরা মোটামুটি ক্লান্তি অনুভব করছি।

Comments

comments

Close