রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ

মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে কিস্তি আদায়


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২৩, ২০২০ , ৬:১৬ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,অর্থ ও শিল্প,আইন ও বিচার,আজকের পত্রিকা,চতুর্থ পাতা,ঢাকা বিভাগ,প্রচ্ছদ,প্রাক্রিতিক দূর্যোগ


 

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ

গাজীপুর মহানগরে বিভিন্ন এনজিওর বিরোদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে জোরপূবক কিস্তি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। করোনার প্রাদুর্ভাবে চলমান সংকটে কর্মহীন হয়ে পড়া সাধারণ গ্রাহকদের সংসার পরিজন নিয়ে জীবন-যাপনে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের পক্ষে ঋণের কিস্তি প্রদান কষ্ঠ সাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে জেলা প্রশাসক সারা দেশ লকডাউনের সময় ঘোষণা দিয়েছিলেন,বৈশি^ক মহামারি করোনা ভাইরাসের পবিবেশ পরিস্থিতির কারনে জুন মাস পর্যন্ত এনজিও গুলো যেন সকল প্রকার কিস্তি আদায় থেকে বিরত থাকেন। এছাড়াও চাপ প্রয়োগ করে কিস্তি আদায় না করার জন্য আহবান জানান তিনি।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানানো হয়,এনজিও থেকে গৃহীত ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি পরিশোধে কোনও ঋণ গ্রহীতাকে ৩০ জুন/২০ পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবেনা। এমন ঘোষণার পর কর্মহীন হয়ে পড়া গ্রাহকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না এনজিও গুলো। গ্রাহকেরা অভিযোগ করেন এনজিও কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিস্তির জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন।

এমন কি তারা জোর পূর্বক কিস্তি আদায় করছেন। মহানগরের গাছা থানার কাথোরা গ্রামের মোঃ নজরুল ইলাম জানায়,তিনি গ্রামীণ ব্যাংক সমিতি থেকে ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচির আওতায় বোর্ডবাজার শাখা হতে ঋণ গ্রহন করেন। করোনার সংকটে সংসার চালাতে তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। হঠাৎ করেই সংস্থার লোকজন তার চায়ের দোকানে বা বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয় বা বাড়িতে বা দোকনে না পাইলে মোবাইলে ফোন করে কিস্তি চাওয়া হয়।

একই এলাকার মোঃ রানা, মোঃ কালাম,মোঃ বাবুল হোসেন,মোঃ মসা,মোঃ কাদিরসহ একাদিক গ্রাহক জানান,এলায় শুধু গ্রামীণ, সেবা নয়,উদ্ভাস,এস.এস সোসাইটি,সার্পট,আশা,গাজীপুর মহানগরে বিভিন্ন এনজিও গ্রাহকদের কাছ থেকে জোর পূবক কিস্তি পরিশোদের চাপ প্রয়োগ করছে। রানা বলেন, সেবা, এস.এস সোসাইটি,কর্মী এসে চাপ প্রয়োগ করে কিস্তি আদায় করছে। আরো যে এনজিও আছে তারাও চাপ প্রয়োগ করে কিস্তি আদায়ের করছেন বলে অভিযোগ করেন।

মুদি দোকানদার রহিম বলেন,এনজিও গুলো মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং চাপ প্রয়োগ করে কিস্তি আদায় করছে। নাম না প্রকাশে একাদিক এনজিওর কর্মকর্তারা জানান,শাখা ব্যবস্থাপক আমাদের কিস্তি আদায় করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে গ্রাহকের কাছে পাঠায়, আমরা বাদ্য হয়ে চাকুরী বাচাতে এই করোনার মধ্যে গ্রাহকদের বাড়িতে.বাড়িতে যাই,আমরা জানি তারা করোনার মধ্যে সমস্যায় আছে।

এব্যাপারে গাছা মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মোঃ ইসমাইল হোসেন জানান,কোন এনজিও গ্রাহকদের কিস্তি প্ররিশোধে বাধ্য করতে পারবেনা। সেচ্ছায় কেউ চাইলে পরিশোধ করতে পারবেন,জোর করে নয়। যদি কোন এনজিও কিস্তি পরিশোধের জন্য গ্রাহকদের চাপ প্রয়োগ করে তাহলে ওই সকল এনজিও গুলোর রিরোদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Comments

comments

Close