শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আজকের পত্রিকা, কৃষি, খুলনা বিভাগ, চতুর্থ পাতা, প্রচ্ছদ শালিখায় ড্রাগন ফল চাষে সফল চাষি আনিচ সরদার

শালিখায় ড্রাগন ফল চাষে সফল চাষি আনিচ সরদার


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২৩, ২০২০ , ৫:৪৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আজকের পত্রিকা,কৃষি,খুলনা বিভাগ,চতুর্থ পাতা,প্রচ্ছদ


ফারুক আহমেদ, মাগুরা প্রতিনিধি ঃ
মাগুরার শালিখা উপজেলার কাতলী গ্রামে ড্রাগন ফল চাষে সফল হয়েছে কাতলীর আনিচ সরদার, সে দীর্ঘদিন ধরে এই ফল চাষ করার সপ্ন দেখতো,অনেক প্রচেষ্টা আর অদম্য মনোবল নিয়ে সে গত এক বছর ধরে চেষ্টার পর অবশেষে এই ড্রাগন ফল চাষে সফল হয়েছে।তিনি নিজে উদ্দোগি হয়ে সম্পূর্ণ নিজের প্রচেষ্টায় এতদূর এসেছেন।
চাষী আনিচ সরদার এর পূর্বে বাংলার সুস্বাদু ফল পেয়ারা চাষ শুরু করেন, নিজের কিছু জমি আর কিছু লিজ প্রথমে স্বল্প পরিসরে পেয়ারা চাষ শুরু করেন তিনি।পরবর্তীতে এই পেয়ারা চাষ করে তার সংসারের খরচ যোগান হিসাবে কাজে লাগতে থাকে, এক পর্যায়ে তিনি বানিজ্যিক ভাবে পেয়ারা চাষ শুরু করেন এবং এতে সফলতা পান কারও কোন সহযোগিতা ছাড়াই।
পেয়ারা চাষ করতে করতে চাষী আনিচ সরদারের মাথায় পেয়ারার পাশাপাশি একই সাথে আরও কোন ফল চাষ করা যায় কিনা ভাবতে থাকেন এবং সে ভাবনা থেকেই অত্যান্ত সুস্বাদু ড্রাগন ফল চাষ করা শুরু করেন। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে তিনি একই জমিতে পেয়ারা ও ড্রাগন দুটি জাতের ফলই বানিজ্যিক ভাবে একান্তই নিজের চিন্তাচেতনা, নিজের প্রচেষ্টা, নিজ উদ্যোগে চাষাবাদ করেন যা সকলের জন্য অনুকরণীয়।
আরও অবাক করা বিষয় হচ্ছে তিনি কোন কৃষি পরামর্শক বা পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই এই ফল আবাদ করে এতদূর এসেছেন।তার সপ্ন আরও ব্যাপক আরও অনেক যার প্রমান পেলাম সরেজমিনে গিয়ে আরও একটি পরিক্ষা মূলক আপেল ও মালটা গাছের চারা রোপন দেখে।
তিনি বলেন, আমি এই আপেল ও মালটা ফল ভবিষ্যৎ এ বানিজ্যিক ভাবে চাষাবাদ করার সপ্ন দেখছি, ইনশাল্লাহ এখানেও সফল হব বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি।কাতলীর চাষী আনিচ সরদার শুধু এগুলো নয় এগুলোর সাথে আরও অনেক জাতের কলা চাষও করেন।তবে তার একটি আক্ষেপ তা হল তার এই প্রচেষ্টায় সরকারি কোন কৃষি সহয়তা বা কৃষি পরামর্শ তিনি পাননি।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, যদি কোন কৃষি পরামর্শ বা সহয়তা পেতাম তাহলে আমি আরও অনেক এগিয়ে যেতে পারতাম।আমাকে যদি সরকার এখন সহয়তা করে তাহলে আমি আরও অনেক ফলের চাষ করতে সক্ষম,তিনি সরকারের সহয়তা কামনা করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

Comments

comments

Close