মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রচ্ছদ, শিক্ষাঙ্গন সোনারগাঁয়ে পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের একের পর এক ষড়যন্ত্র চলছে, অভিভাবকদের ক্ষোভ প্রকাশ

সোনারগাঁয়ে পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের একের পর এক ষড়যন্ত্র চলছে, অভিভাবকদের ক্ষোভ প্রকাশ


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১, ২০২০ , ২:২২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: প্রচ্ছদ,শিক্ষাঙ্গন


কামাল উদ্দিন ভূইয়া,নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের একের পর এক ষড়যন্ত্র চলছে, অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। করোনার কারণে সারা দেশের মতো পশ্চিমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ১৭ মার্চ তারিখ হইতে বন্ধ রয়েছে। এ বিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন সময়ে কোন ক্লাস নেওয়া হয়না।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চিন্তাভাবনা করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা তদারকি করা অব্যাহত করে যাচ্ছে। সামনে বার্ষিক পরীক্ষা অভিভাবকদের অনুরোধে শিক্ষার্থীরা যাতে বাসায় বসে বিদ্যালয়রে পড়াশোনা গুলি শিখতে পারে, তাই তাদের জন্য এক সাজেশন ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে সাজেশন দিয়ে যাচ্ছে। যাদের বাসায় কম্পিউটার বা টাচ মোবাইল নাই, কাদের অভিভাবকদের অনুরোধে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ২৭ জুন তারিখে ১০ জন করে শিক্ষার্থীদেগর ডেকে তাদের সাজেশন দিয়েছে। কিন্তু গত ২৯ই জুন তারিখে কয়েটি পত্রিকায় দেখাযায় সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান সংবাদটি প্রকাশ হয়ছে, এ সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়ট। বিদ্যালয়ে কোট প্রকার ক্লাশ নেওয়া হয়নাই।

৩০ জুন মঙ্গলবার সকালে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয়ে কোন ক্লাশ হচ্ছে না। তবে বিদ্যালয়রে প্রধান শিক্ষকের রুম খোলা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর সাথে স্বাক্ষাত হয়। এ ব্যপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গির আলম বলেন সোনারগাঁও এর মধ্যে এ বিদ্যালয়ের মান সম্মন আছে, এ বিদ্যালয় সবচেয়ে ভাল রেজাল্ট করে। বর্তমানে করোনা মহামারীতে আমরা কোন ক্লাস নিচ্ছিনা। আমরা অনলাইনে বা মোবাইলে শিক্ষার্থীদের দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছি। যাদের টাচ মোবাইল নাই তাদেরকে ১০ জন করে ডেকে সাজেশন দিচ্ছি, কোন প্রকার ক্লাশ নেয়া হচ্ছেনা। যারা সংবাদটি লিখেছে তা সম্পর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। এক শ্রনির লোক এ বিদ্যালয়কে ভাল চায়না।

এ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনি পড়া এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক নাহিদা আক্তার এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান বিদ্যালয়ে কোন ক্লাস হচ্ছে না। আমার মেয়ে কানিজ ফাতেমা ইমি বিদ্যালয়ে সাজেশনের জন্য বিদ্যালয়ে গিয়েছিল। ২০২০ সালের বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় ৪ জিপিএ গোল্ডেল সহ ১৩ টি জিপি-এ প্লাস অর্জন করে এবং পাশের হার ৯১.৪২% অর্জন করে বিদ্যালয়ে সোনারগাঁ উপজেলার সম্মানজনক স্থান অর্জন করতে পেরেছে।

Comments

comments

Close