রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আইন ও বিচার, আজকের পত্রিকা, জাতীয়, প্রচ্ছদ, রাজনীতি গনতন্ত্রের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারা বরন দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

গনতন্ত্রের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারা বরন দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৬, ২০২০ , ১১:১৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আইন ও বিচার,আজকের পত্রিকা,জাতীয়,প্রচ্ছদ,রাজনীতি


বিশেষ প্রদিবেদক ঃ

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো:মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর আহ্বানে ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর কর্তৃক আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়৷

সেনা সমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেপ্তার হন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

সামরিক শাসনের যাঁতাকল আর ঘূণে ধরা গণতন্ত্রের বেড়াজাল ভেদ করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে উঁকি দেয় নতুন সূর্য। ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান মানবতায় বিশ্বজয়ী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

অনান্য বছর দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনসমূহের উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলেও বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে এবার তেমন কোনো কর্মসূচি নেয়নি দলটি।

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকের নির্মম বুলেটে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। এ সময় বিদেশে থাকায় বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

১৯৮১ সালের ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন। জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শেখ হাসিনার অনু-পস্থিতিতে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ডাক আসে দেশমাতৃকার হাল ধরার। সামরিক শাসকদের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা।

এরপর দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তার একটানা অকুতোভয় সংগ্রাম। জেল-জুলম, অত্যাচার কোনো কিছুই তাকে তার পথ থেকে টলাতে পারেনি একবিন্দু। তার সুদক্ষ নেতৃত্বে গতি পায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্র থেকে তৃণমূল। রাজধানীসহ প্রতিটি গ্রামে গ্রামে। অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের পতাকা উত্তোলিত হতে থাকে।

চারবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনে রেখেছেন হিমাদ্রী শিখর সফলতার ছাপ। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দমন, ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গঠন ও মানবতায় বিশ্বের মোড়লদের মধ্য আলোকবর্তিকা হয়েছেন। যার বদৌলতে গোটা বাংলাদেশ বিশ্বের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, নিষ্ঠা, মেধামনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদারমুক্ত গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে।

১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের মধ্য দিয়ে যা প্রথমবারের মতো সফলতা পায়। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা। খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ক্রীড়া, দারিদ্র্যবিমোচন, সড়ক উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।

বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা নীলকণ্ঠ পাখি, মৃত্যুঞ্জয়ী মুক্তমানবী। তিমির হননের অভিযাত্রী। মানবতার জননী, আত্মশক্তি-সমৃদ্ধ সত্য-সাধক। প্রগতি-উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির সুনির্মল মোহনা। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। শান্তি, গণতন্ত্র, স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, দারিদ্র্যবিমোাচন, উন্নয়ন এবং দেশে দেশে, জাতিতে-জাতিতে সৌভ্রাতৃত্ব ও সমপ্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ভূষিত হয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ অসংখ্য পদক, পুরস্কার আর স্বীকৃতি পেয়েছেন।

মিয়ানমার সরকারের ভয়াবহ নির্যাতনে আশ্রয়হীন ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে তাদের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করে বিশ্ব মানবতার বিবেক হিসেবে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। তাকে বলা হয় বাংলাদেশের বিস্ময়কর উত্থানের নেপথ্য কারিগর শেখ হাসিনা। বিশ্বরাজনীতির উজ্জ্বলতম প্রভা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পিছিয়ে পড়া দেশ-জাতি জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবে বিশ্বনন্দিত নেতা।

“শেখ হাসিনার আকাশ ছোঁয়া সফলতার পথ কখনোই মসৃণ ছিলো না। জীবনের প্রতিটি বাঁকে জীবনাবসানের ঝুঁকি ছিলো। ঈর্ষণীয় নেতৃত্ব আর সফলতার জন্য প্রতিপক্ষের আঘাত বারবারই তার ওপর এসেছে। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস তিনি গৃহবন্দি থেকেছেন। সামরিক স্বৈরশাসনামলেও বেশ কয়েকবার তাকে কারা নির্যাতন ভোগ ও গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে।”

১৯৯১-এর ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে ধানমন্ডির একটি স্কুলে উপনির্বাচনের ভোট দেয়ার পর তাকে লক্ষ্য করে ২০-২৫ রাউন্ড গুলি ও বোমাবর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। এরপর ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরদীতে রেলগাড়িতে সফরে ছিলেন শেখ হাসিনা। নাটোর স্টেশনে তার সমাবেশে যোগদানের কথা ছিলো। ওই সমাবেশ পণ্ড করতে দুর্বৃত্তরা বোমা হামলা চালায়। ওই হামলার টার্গেট ছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৫ সালের ৭ ডিসেম্বর রাসেল স্কোয়ারের কাছে সমাবেশে ভাষণ দেয়ার সময় গুলিবর্ষণ করা হয় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ওপর।

১৯৯৬ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ (হুজি) ২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জনসভাস্থলের কাছে এবং হেলিপ্যাডের কাছে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রেখেছিল। পরে বোমা গোয়েন্দাদের কাছে ধরা পড়ে, আর বেঁচে চান শেখ হাসিনা।

২০০১ সালের ২৯ মে হামলার শিকার হন সিলেটে। ২০০২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীরা সাতক্ষীরার কলারোয়ায় রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে শেখ হাসিনার ওপর হামলা চালায়। ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল আবারো হামলার শিকার হন শেখ হাসিনা।

এরপর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার শিকার হন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনা। গুরুতরভাবে আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান তিনি। তবে এই হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতা-কর্মী নিহত হন। চিরতরে পঙ্গু হয়ে যান অসংখ্য নেতা-কর্মী।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনের অবসান হলেও বিএনপির রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন আহমেদ নিজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ দখল করেন। হাওয়া ভবনের নির্দেশে চলতে থাকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নির্বাচনি প্রহসনের প্রস্তুতি। গর্জে ওঠে বাংলাদেশ।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। শুরু হয় গণআন্দোলন। বাতিল হয় পাতানো নির্বাচন। প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন ইয়াজউদ্দিন। ঘোষিত হয় জরুরি অবস্থা। ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত হয় নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ৯/১১-র পর নতুন ষড়যন্ত্র।

শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য হাজির করা হয় মাইনাস টু তত্ত্বের। শেখ হাসিনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে ফিরে আসার সময় নিষেধাজ্ঞা জারি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারি নিষেধাজ্ঞা, যড়যন্ত্র ও মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে ২০০৭ সালের ৭ মে ফিরে আসেন প্রিয় স্বদেশে।

কিন্তু এর মাত্র দুমাস পর ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই নিজ বাসভবন সুধাসদন থেকে শেখ হাসিনাকে দানবীয় কায়দায় গ্রেপ্তার করা হয়। জাতীয় সংসদ এলাকায় একটি অস্থায়ী কারাগারে তাকে বন্দি করে রাখা হয়।

তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় একের পর এক মিথ্যা মামলা। কারাগারে তার জীবননাশের ষড়যন্ত্র চলে। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। জীবন মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে চলতে থাকে গণসংগ্রাম ও আইনি লড়াই। আওয়াজ ওঠে শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন নয়। তুমুল আন্দোলনের মুখে আজকের দিনে মুক্তি পান শেখ হাসিনা।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। অর্জিত হয় ঐতিহাসিক বিজয়। এককভাবে আওয়ামী লীগই লাভ করে তিন-চতুর্থাংশের বেশি আসন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। গঠিত হয় মহাজোট সরকার।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। গত ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় আওয়ামী লীগ। এরপর চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আসেন শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসে বিশেষ দোয়া ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। দিবসটিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে আখ্যায়িত করে দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সংগঠনটি।

সারাদেশে যুবলীগের জেলা উপজেলা সহ সকল ইউনিটকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার আহ্বান জানিয়েছেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

শাহ আলী বোগদাদী (র:) মাজার মসজিদ প্রাঙ্গন মিরপুর-১ আজ বাদ আসর কারামুক্তি দিবসে দোয়া ও খাবার বিতরণ করেন, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন বাবুল, সহ সভাপতি জলিলুর রহমান, সাব্বির আলম লিটু, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক তাসবিরুল হক অনু, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল উদ্দিন আহম্মেদ, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, যুবলীগ নেতা ইন্জিঃ মুক্তার হোসেন চৌধুরী কামাল, উপ-সম্পাদক মুর্তুজা হোসেন সরকার হিমেল, কাইসুর রহমান সিদ্দিকী সোহাগ, তারেক হোসেন বাদল, সহ সম্পাদক মো: মুনির হোসেন, যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন, এ্যাড.গোলাম কিবরিয়া, গাজী নুরুল ইসলাম, কামরুল হুদা লিটন, উজ্জল মোল্লা, নজরুল ইসলাম রাজু, আল আমিন , রাসেল সহ ঢাকা মহানগর উত্তর অন্তর্গত ১১ নং ওয়ার্ড যুবলীগ এর বিপ্লবী দপ্তর সম্পাদক মোঃ মনির খান এবং ১১ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন আনু সহ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেত্রবৃন্দ দোয়া ও মিলাদে  উপস্থিত ছিলেন।

Comments

comments

Close