শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, আজকের পত্রিকা, কৃষি, প্রচ্ছদ সাতক্ষীরায় সম্পত্তি দখলের প্রতিবাদ করায় ষড়যন্ত্র ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরায় সম্পত্তি দখলের প্রতিবাদ করায় ষড়যন্ত্র ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ২৭, ২০২০ , ১:২৮ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,আজকের পত্রিকা,কৃষি,প্রচ্ছদ


এস এম পলাশ সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি :

পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগদখলের প্রতিবাদ করায় ভাইপো কর্তৃক বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লাগার বিষয় ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন কাজী মাবুদ হোসেন।

২৬ জুলাই রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উপস্থিত হয়ে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকার মৃত কাজী মোশাররাফ হোসেনের ছেলে কাজী মাবুদ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত নৌ সদস্য। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছি।

আমার বড়ভাই কাজী আশরাফ হোসেন এবং দুই ছেলে কাজী রাশেদুল হোসেন ও কাজী মিজান হোসেন আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে শরিকদের ফাঁকি দিয়ে তাদের যা প্রাপ্য তার চেয়ে বেশি জমি ভোগদখল করছে এবং আরও জমি দখলের পায়তারা চালাচ্ছে।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন আমি এবং কাজী আকবর হোসেন, কাজী মোজাফফার হোসেন এসব ঘটনার প্রতিবাদ করলে বিরোধ বাধে। এসব ঘটনার জের ধরে কাজী আশরাফ হোসেন এবং তার ছেলেরা ও অন্যান্য ভাইদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে। এছাড়া কাজী আশরাফ হোসেনের বড় ছেলে সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চাকরিরত কাজী রাশিদুল হোসেন সরকারি চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনা করার সুযোগ না থাকলেও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে শহরের ইসলামী হাসপাতালের পূর্ব পাশে “কাজী ইলেক্ট্রনিক্স” নামে দোকান পরিচালনা করেছে।

এদিকে, গত ২২ জুলাই ভোরে আমরা জানতে পারি রাশিদুল হোসেনের ওই কাজী ইলেক্ট্রনিক্সে আগুন লেগে তাদের দুটি দোকান পুড়ে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে বিদ্যুতের শর্টসার্কিটের কারনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তারা আগুন লাগার ঘটনায় আমাদেরকে জড়িয়ে নানারকম ভয়ভীতি দেখাচ্ছে ও হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। সেখানে থাকা নাইনগার্ড মনির কাছ থেকে বিস্তারিত জানা যাবে। যদি কেউ আগুন দিলে তার নজরে পড়তো।

ঘটনার দু’দিন পর কাজী রাশেদুল হোসেন সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে এবং ভাইপো কাজী আকবর হোসেন, কাজী মোজাফফার হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করেছে। পুলিশ ফাঁড়িতে মিথ্যা অভিযোগও দায়ের করে। ওই ঘটনার সাথে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। শুধুমাত্র আমাদের হয়রানি করার জন্যই তারা এধরনের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

রাশেদুল হোসেন কর্তৃক আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানির সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

Comments

comments

Close