রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আজকের পত্রিকা, তথ্য প্রযুক্তি, প্রচ্ছদ ডিজিটাল সেবা-সুযোগ প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রহণ করতে পারছে: পলক

ডিজিটাল সেবা-সুযোগ প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রহণ করতে পারছে: পলক


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ২৮, ২০২০ , ২:৪৪ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আজকের পত্রিকা,তথ্য প্রযুক্তি,প্রচ্ছদ


মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, জন্ম থেকে কৃষক লীগ মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দিতে কৃষকের পাশে থেকেছে। কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা ডিজিটাল সেবার সুযোগ নিয়ে প্রান্তিক পর্যায়ে সেবা গ্রহণ করতে পারছে। সবকিছুই সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল প্রযুক্তি স্থাপন করার কারণে।

২৭ জুলাই ২০২০ রোজ সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুযোগ্য পুত্র ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে কৃষক লীগের আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপির সঞ্চালনায় আলোচনায় সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল চৌধুরী, মোঃ আবুল হোসেন, বিশ্বনাথ সরকার বিটু, একেএম আজম খান নাজমুল ইসলাম মান্নু, সৈয়দ আমিরুজ্জামান শাকিব, আলহাজ্ব আব্দুস সালাম বাবু, আব্দুর রউফ খান, মোঃ হালিম খান, সজিবুর রহমান মিয়াজী, আহসানুল হক পলাশ, হাসান মাহমুদ অপু ও মহসিন করিম।

সমীর চন্দ প্রধানন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০ তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি। কৃষক লীগের পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি। কৃষক লীগের সকল নেতাকর্মীদের তথ্য প্রযুক্তি জ্ঞান অর্জন করে প্রান্তিক কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান তিনি। তার শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন তিনি। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাদের একটি মেয়ে আছে। লেখাপড়া করা অবস্থায় রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে। ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়া হয় তাকে।

২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন তিনি। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। বর্তমানে দলীয় ঘরানা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়।

বিশেষ করে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আত্মনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি। দেশ গঠনে তরুণদের মতামত, পরামর্শ শুনতে জয়ের ‘লেটস টক’ ও ‘পলিসি ক্যাফে’ দুটি প্রোগ্রাম ইতিমধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া তিনি তরুণ উদ্যোক্তা ও তরুণ নেতৃত্বকে একসঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষিত করতে বৃহত্তম প্ল্যাটফরম ‘ইয়াং বাংলার’ সূচনা করেন। ইতিমধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে তার নামডাক ছড়িয়ে পড়েছে।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুস্বাস্থ্য কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা’র সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। চলমান করোনা মহামারিতে মৃত্যুবরণকারীদের শহীদের মর্জাদা দান ও আক্রান্তদের আরোগ্য দানের জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট দোয়া করা হয়।

Comments

comments

Close