শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চটগ্রাম বিভাগ, প্রচ্ছদ, ফিচার জেটি এখন দৃশ্যমান, আর যাবে না তাজা প্রাণ

জেটি এখন দৃশ্যমান, আর যাবে না তাজা প্রাণ


পোস্ট করেছেন: বার্তা | প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ২৯, ২০২০ , ১:৪৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: চটগ্রাম বিভাগ,প্রচ্ছদ,ফিচার


হাঁটু পানিতে পা ডুবিয়ে সন্দ্বীপে প্রবেশের দিন শেষ। নির্মানাধীন আরসিসি ‘দ্বীপবন্ধু মুস্তাফিজুর রহমান জেটি’ র কাজ শেষ পর্যায়ে। চলতি বছরের শেষে এর উদ্বোধন হতে পারে বলে আশা করছেন কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে এটির প্রায় ৯৭ ভাগ কাজ শেষ বলে জানান কর্তৃপক্ষের প্রকৌশলীগণ। জেটীটি রাতের বেলায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলার জন্যে জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ সংযোগে লাইটিং এর কাজ ও প্রায় শেষ পর্যায়ে।
সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা বলেন, প্রকৃতির সাথে পেরে ওঠা সম্ভব নয়। তবুও জেগে ওঠা চরের কারণে নদীর নাব্যতা বাড়াতে বর্ষা শেষেই অর্থাৎ অক্টোবরের দিকে ড্রেজিং করা হবে। যাতে জেটী’র সাথে নৌ-যান ভিড়তে পারে। তাতেও যদি সমস্যা দেখা দেয় তাহলে জেটি’র দৈর্ঘ্য আরো বাড়াতে হতে পারে বলে জানান তিনি।
২০১৭ সালে ২ এপ্রিল সন্দ্বীপ চ্যানেলে ঘটে যাওয়া নৌ-দুর্ঘটনায় সন্দ্বীপবাসী হারায় ১৮টি তাজা প্রাণ।প্রাণহানির মতো এমন দুর্ঘটনা এড়াতে এই জেটি নির্মাণ প্রকল্প গৃহীত হয়।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান ২০১৮সালে ৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দে ৬০০মিটার দৈর্ঘ্যের এ জেটিটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
এদিকে জেটির দুই পাশে ল্যাম্পপোস্টের কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে সৌন্দর্য্য। আর তা উপভোগের জন্যে জেটিতে ভিড় জমাচ্ছে উৎসুক দ্বীপবাসী। জেটিটিতে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে আসা ইমন বলেন, আমাদের সন্দ্বীপে কোন পর্যটন কেন্দ্র নেই, জেটির সোন্দর্যে একটু নতুন দেখাচ্ছে সন্দ্বীপকে।
মূল ভূখণ্ড থেকে বিছিন্ন সন্দ্বীপের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম নৌ-রুট। যাত্রীদের বোটে উঠানামা করতে হলে নদীর হাটুপানিতে নামতে হত। জেটীর কাজের সমাপ্তি ঘটলে নৌ-পথে সন্দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। সে মহেন্দ্রক্ষনের অপেক্ষায় রয়েছে সাড়ে চার লক্ষ সন্দ্বীপবাসী।
# মিজানুর রহমান টিটু

Comments

comments

Close