রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রচ্ছদ, বিশেষ প্রতিবেদন গৌরনগরের নিহত মিলন সরকারের বাড়িতে গেলো নবীনগর উপজেলা দাঙ্গা নিরসন কমিটি

গৌরনগরের নিহত মিলন সরকারের বাড়িতে গেলো নবীনগর উপজেলা দাঙ্গা নিরসন কমিটি


পোস্ট করেছেন: বার্তা | প্রকাশিত হয়েছে: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১ , ৫:৩৭ অপরাহ্ণ | বিভাগ: প্রচ্ছদ,বিশেষ প্রতিবেদন


সাহেদ আহমেদ (সৌরভ)

ব্রা‏হ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের গৌরনগর গ্রামে গত ১৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার রাতে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়ে ঘটনাস্থলে খুন হন ৮৫ বছরের বৃদ্ধ হাজ্বী মিলন সরকার। খুন করার পর হামলাকারীরা মিলন সরকারের দুই চোখ উপড়ে ফেলে এবং জিহ্বা কেটে নেয় বলে জানায় নিহতের স্বজনেরা।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল এর নির্দেশনায় গঠিত উপজেলা দাঙ্গা নিরসন কমিটির সদস্যরা আজ বুধবার সকালে নিহত মিলন সরকার এর বাড়িতে যান এবং নিহতের পরিবারে প্রতি সমবেদনা জানান। এসময় অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। পাশাপাশি মিলন সরকারকে যেই স্থানে খুন করা হয়েছিল সেই স্থানটি পরিদর্শন করেন উপজেলা দাঙ্গা নিরসন কমিটি ও নবীনগর থানা পুলিশ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, নবীনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা দাঙ্গা নিরসন কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এড. সুজিত কুমার দেব, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সাদেক, নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন চৌধুরী সাহান, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম নজু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক প্রণয় কুমার ভদ্র পিন্টু, মাদকমুক্ত নবীনগর চাই সংগঠনের উপজেলা শাখার সভাপতি মো. আবু কাউসার, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা শামীম রেজা, উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. মারুফুর রহমান, স্বেচ্ছা সেবকলীগ নেতা সুমন উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আবু ছায়েদ প্রমুখ।

সাংবাদিক মো. সফর মিয়া, মো. দেলোয়ার হোসেন, শফিকুল ইসলাম বাদল, নূর মোহাম্মদ জয়সহ স্থানীয় সংবাদকর্মীরা নিহতের স্বজনদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, ঐ দিন রাতে এশার নামাজের পর হাজ্বী মিলন সরকার (সরদার) রাতের খাবার শেষে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এসময় পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ আজইরা গোষ্ঠির লোকজন উনার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। নিজের জীবন বাঁচাতে মিলন সরকার পালিয়ে যাওয়ার সময় বড়াইল ইউনিয়নের জালশুকা ও কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের গৌরনগর এলাকার মধ্যবর্তী পাগলা নদীর তীরে একটি সেচ মেশিনের কাছে পৌঁছলে হামলাকারী তাকে পাশের একটি বোরো জমিতে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। হত্যার পর দুই চোখ উপড়িয়ে ফেলে এবং জিহ্বা কেটে উনার লাশ কাদায় পুতে রাখে। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

Comments

comments

Close