শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আন্তর্জাতিক, প্রচ্ছদ, বিশেষ প্রতিবেদন, মতামত আবার আলোর পথ দেখাবেন অটোমান সাম্রাজ্যের উত্তরসূরী এরদোগান

আবার আলোর পথ দেখাবেন অটোমান সাম্রাজ্যের উত্তরসূরী এরদোগান


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ | প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ২, ২০২১ , ২:২৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আন্তর্জাতিক,প্রচ্ছদ,বিশেষ প্রতিবেদন,মতামত


আব্দুল হান্নান
অটোমান সাম্রাজ্য তুর্কীর সুলতান সোলেমান, ওসমানগাজী, আরতুল গাজী, শাহ আলী, উত্তর সূরী হিসাবে রজব তায়ের এরদোগান। তিনি ছাত্র জীবনে মেধাবী ছাত্র সংগঠনে নেতৃত্ব দেন। তার জীবনের কবিতা প্রকাশ করায় কারা বরণ করতে হয়েছে। কেননা, সেই কবিতায় আল্লাহর নীতিমালা ছিল। এরপর রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তুর্কিবাসীর যে সকল চাওয়া পাওয়া তা তিনি পূরণ করতে সক্ষম হন। এতে করে জনপ্রিয় হতে পেরেছেন, এরকম মেয়র হিসাবে কেউ দৃষ্টান্ত রাখতে পারেনি বিশ্বে।
আস্তে আস্তে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে সকল মানুষের মৌলিক চাহিদা সেই সকল বাস্তবায়ন করায় আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী, পরে প্রেসিডেন্ট হওয়ায় এমনকি আভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র অভ্যুত্থান জনগণ তা ভন্ডুল করে দেয়।
ফলে আন্তর্জাতিক ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের অসহায় দেশগুলোতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াতে, যেমন নাইজেরিয়া, ফিলিস্তিন, আজারবাইজান, কাতারসহ বাংলাদেশ সরকার তুর্কিমুখী হতে যাচ্ছে। আমেরিকা, ইসরাইল এখন বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। দীর্ঘদিন এককভাবে মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য করায় মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের তেল নিয়ে গেছেন। আর এই সকল দেশগুলোকে দাসী বানিয়ে রেখেছেন, এদের কোনো স্বাধীনতা ছিল না।
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি হওয়াতে অনেকের ঘুম হারাম করে দেন এরদোগান। তিনি সিরিয়ায় আইএস নির্মূল করায় তুর্কি সেনাদের একের পর এক তাদের
গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে বিশ্ববাসীদের কাছে। তুর্কিসেনারা ন্যায়সঙ্গতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরদোগানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নবীর আদলে পৃথিবী শাসনব্যবস্থা মানুষের অধিকার সুনিশ্চিত করা একমাত্র মুসলিম হিসাবে তার ঈমানী দায়িত্ব।
ইতিহাস সাক্ষী সুলতান সোলেমান আরতুল গাজী, ওসমান গাজী, শাহ আলী,একই সুতায় গাঁথা। এরা যুগ যুগ ধরে প্রায় চল্লিশটি দেশে শাসন করেছে।
মুহাম্মদ (স.) এর আদর্শ মোতাবেক রাষ্ট্র পরিচালনা করায় মানবতার কল্যাণে নিবেদিত থাকায় জাতি আজঅবধি স্মরণ করে যাচ্ছে তাদের কর্মময় জীবনের স্মৃতি মনে করে দেয় তুর্কি সিরিয়াল মুভি কারুলুস ওসমান বিশ্ববাসীর কৃষ্টিকালচার নীতিনৈতিকতা পরিবর্তন করেছে প্রায় ১শ কোটি মানুষ মুভি দেখে তুর্কিদের ও এরদোগানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে।
তুর্কিরা সন্ত্রাসী নয় বরং সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে এরদোগানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। একের পর এক বৃদ্ধি পাচ্ছে তাদের জনপ্রিয়তা। ফলে, হাজার হাজার ছেলেমেয়েরা তুর্কি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে যাচ্ছে, তাদের আদর্শ অনুপ্রেরণায়।
লুজান চুক্তি অন্যায়ভাবে করেছিল দীর্ঘ ১শ বছর আছেন যা বিশ্বের কোনো নজীর নেই। আগামী ২০২৩ সালে চুক্তি শেষ হতে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ তুর্কি কি হবে এরদোগানের টার্নিং পয়েন্ট অভিজ্ঞজনরা মনে করেন। তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকায় জীবনযাত্রা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে। যা ১শ বছরে কেউ স্বাক্ষর রাখতে পারেনি। বর্তমানে যে সকল নিজস্ব প্রযুক্তি, টেকনোলোজী, বিমান, জেটবিমান, সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে পিছপা নেই। গাড়ি, মোবাইল, বিজ্ঞানে এগিয়ে প্রতিরক্ষা সক্ষমতাসহ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সুদৃষ্টিতে পড়েছেন।
তবে ইসরাইল, আমেরিকার মতো আগ্রাসী মনোভাব তাদের নেই। মানব কল্যাণে তারা অগ্রগামী কিন্তু ফ্যাসীবাদীর মতো যারা পৃথিবীতে শাসন করেছে তাদের ধিক্কার দেন আজও পর্যন্ত জাতি। কিন্তু এরদোগানের কর্মকান্ডে জাতি তাকে মনেপ্রাণে হৃদয়ের স্থল থেকে ভালোবাসে। বিশ্বজুড়ে তার কদর বাড়ছে। এতে করে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে চলেছে। আল্লাহ যদি সহায় থাকে কোনো ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না।
ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে, তার শক্তিমাত্রা বৃদ্ধি হওয়াতে অন্য রাষ্ট্রগুলো আসছে। আজকে ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ভালো থাকায়, যেমন পাকিস্তান আগে থেকেই সম্প্রতি বাংলাদেশ এগোচ্ছে এইভাবে মুসলিম তথা রাষ্ট্র ঐক্যবদ্ধ হলে সাম্রাজ্যবাদের পতন অনিবার্য কেউ রুখতে পারবে না। আগামী ভবিষ্যৎ তুর্কি তথা বিশ্ববাসী মনেপ্রাণে এরদোগানকে ক্ষমতায় চায়। তা না হলে জাতির দুর্গতির শেষ নেই।

Comments

comments

Close