শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অপরাধ, আজকের পত্রিকা, প্রচ্ছদ, শিক্ষাঙ্গন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিয়ম দূর্নীতি করেও অদৃশ্য শক্তির বলে বহাল তবিয়তে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিয়ম দূর্নীতি করেও অদৃশ্য শক্তির বলে বহাল তবিয়তে


পোস্ট করেছেন: বার্তা বিভাগ ৪ | প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ৬, ২০২১ , ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: অপরাধ,আজকের পত্রিকা,প্রচ্ছদ,শিক্ষাঙ্গন


বিশেষ প্রতিনিধি ঃ

সাভার ইমান্দিপুরে ৬০নং ইমান্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী শাহানা ইসলাম গত ২৫ বছর ধরে নানা অনিয়ম আর দুর্নীতি করেও উক্ত বিদ্যালয়ে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে করোনা কালীন সময়েও কোমলমতি শিশুদের স্কুলে ডেকে এনেছেন। ম্যানেজিং কমিটিতে নেই আবার ছাত্র নয় এমন বহিরাগত ও কিছু শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১২ নভেম্বর ২০২০ইং তারিখে স্কুলে অনুষ্ঠান করে ছবি তুলে তার ফেসবুকে পোস্ট করতে দেখা যায়। প্রশাসনিক বদলী হওয়ার পরেও উক্ত বিদ্যালয়ে পুনরায় যােগদান করে ফুলের তােড়া নিয়ে নাটকীয় কৌশলে অভিষিক্ত হয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় অনিয়ম আর দুর্নীতির দায়ে তাকে অন্যত্র বদলী করা হলে, দপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে আঁতাত করে হাইকোর্টে একটি রীট আবেদন করে পূর্বের বিদ্যালয়েই ফিরে আসেন। এর আগে গত ২৫/০৯/২০১৯ তারিখে দৈনিক একুশের বানী, ২৪/১১/২০১৯ তারিখে দৈনিক প্রথম আলাে এবং ২৪/১১/২০১৯ তারিখে দৈনিক আলােকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় তার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা ছাপা হয়। শুধু তাই নয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকেও তার বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযােগ দাখিল করা হয়। সে প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক তদন্ত কাজ সম্পাদন হয় এবং তদন্তে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযােগ গুলাে সত্য প্রমানিত হয়। শুধু তাই নয় বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয় এবং দুদক কর্তৃকও তদন্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয় এবং সর্বশেষ ২৪/১১/২০১৯ তারিখে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পরিচালক প্রশাসনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে। কিন্তু অধ্যবদি তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় নাই।

এখানে উল্লেখ্য যে, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মহাপরিচালক বরাবর লিখিত পত্র প্রেরন করা হলেও তারও কোন কার্যক্রম গ্রহন করা হয় নাই। এ ব্যাপারে শিক্ষা অফিসারের সাথে যােগাযােগ করা হলে তিনি জানান যে, আমাদের এখতিয়ারে মধ্যে যতটুকু কার্যক্রম করার আমরা তা করেছি, ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব উর্ধতন কর্তৃপক্ষের। গত ১৬/১১/২০২০ তারিখ ঐ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক মহাপরিচালক বরাবর প্রধান শিক্ষকের সাথে কাজ না করার অনাস্থাপত্র প্রদান করেন। এর পূর্বে বিদ্যালয়ের এসএমসি এবং এলাকাবাসীও লিখিত দেয় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে যেন উক্ত বিদ্যালয়ে না রাখা হয়।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযােগগুলাে একাধিক তদন্তে প্রমানীত হয়, তা হলো: তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর ইমান্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন এবং বিদ্যালয়ের পাশেই তার বাড়ী হওয়ায় তিনি বিদ্যালয়কেও নিজ সম্পত্তিতে পরিনত করেছেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলা শিক্ষক সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকায় এবং শিক্ষা অফিসের বর্তমানে একজন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার যিনি তার চাকুরিকালের দীর্ঘ সময় সাভারে কাটিয়েছেন, তিনি তার একান্ত নিকট আত্নীয়, ঐ অফিসের একজন অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর এর প্রভাব খাটিয়ে যখন যা ইচ্ছা তাই করছেন। বিদ্যালয়ের বরাদ্ধকৃত অর্থ আত্মসাৎ করা সহ বিদ্যালয়ের সম্পত্তি (ফ্যান, আলমারি, ল্যাপটপ) চুরি করে বাসায় নিয়ে যান। সমাপনীর ফি আদায় করেন ২০০ টাকা, সমাপনীর সার্টিফিকেট বাবদ ১০০ টাকা। সাময়িক পরিক্ষার ফি ১০০ টাকা, এছাড়া খেলাধুলা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের উন্নয়নের নামে চাঁদা তুলেন তা দিয়ে কাজ না করেই আত্মসাৎ করেন। প্রভাব খাটিয়ে সহকারি শিক্ষক, অভিভাবক এমনকি ছাত্র- ছাত্রীদের সাথেও দূর্ব্যবহার করেন। এত অনিয়ম দুর্নীতি করেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন প্রধান শিক্ষক গাজী শাহানা ইসলাম।

সাভার উপজেলা শিক্ষা অফিসে তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে, শিক্ষা অফিস জানায়; গত ২৫/০৯/২০১৯ তারিখের দৈনিক পত্রিকা- একুশের বাণী প্রকাশিত খবরের প্রেক্ষিতে অত্র সাভার উপজেলার ইমান্দিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব গাজী শাহানা ইসলাম এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগের কারনে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সাভার, ঢাকা এর প্রেরিত পত্র যার স্মারক নং উশিঅ/সাভার/ঢাকা/৮১৯, তারিখঃ ০১/১০/২০১৯ মুলে ০৩(তিন) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তার প্রেক্ষিতে গত ০৩/১০/২০১৮ তারিখে উক্ত ইমান্দিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তদন্ত কাজ পরিচালনা করা হয়। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটির শিরােনাম ছিল “সাভার ইমান্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেপক অনিয়ম” শুরুতেই তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সামনে প্রথম শ্রেনির একজন ছাত্র হাতে ব্যান্ডেজ পরিহিত অবস্থায় নানীর সাথে এরও কয়েকজন অভিভাবক নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের উপর চড়াও হন এবং কোন শিক্ষক হাত ভেঙ্গেছে তা ছাত্রকে বলতে বলেন। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তাগন ছাত্রের সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে তার শ্রেণিরই শাওন নামে একজন ছাত্রের সাথে খেলতে গিয়ে বেঞ্চ থেকে পড়ে হাতের আঙ্গুলে ব্যাথা পায়। ছাত্রের নানী আরাে বলেন তার নাতীকে শিক্ষক কান ধরে মেরেছে, তবে ঐ শিক্ষার্থীর সাথে আলােচনা করে পরবর্তীতে তাও অসত্য ও সাজানাে বলে প্রতীয়মান হয় এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাগন মনে করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের নাটক সৃষ্টিতে ভূমিকা রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সকল অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সহ সকল সদস্যকে জানানাের কথা থাকলেও তিনি অভিভাবক গনকে জানান নি। মাত্র একজন সদস্য (মােঃ হান্নান মিয়া) সভাপতির প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরটি পড়ে শােনানাে হয়। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির একজন সদস্য (মােঃ হান্নান মিয়া) যিনি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির প্রতিনিধি হিসেবে তদন্ত কাজে সহযােগিতা করার জন্য আসলেও কোনও প্রকার সহযােগিতা করেননি। তিনি পত্রিকার সংবাদকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার কাছে এসব বিষয়ে লিখিত চাইলে তিনি লিখিত দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন বিদ্যালয় আমাদের, আমরা যেভাবে খুশি সেভাবে পরিচালনা করবাে, আপনারা কারা? এভাবে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের হুমকি দেন এবং দেখে নেবেন বলে চড়াও হন। সহকারী শিক্ষকদের তিনি গালি দেন এবং মারতে পর্যন্ত যান। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সামনে এহেন অবমাননাকর ঘটনা ঘটলেও তিনি তার চেয়ারেই নির্বিকারভাবে বসে ছিলেন যা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের খুবই ব্যাথিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে যে এ ধরনের হুমকি-ধামকি দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে না দেয়া বা তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা। যার দরুন তদন্ত কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর স্থান ত্যাগ করতে এক ধরনের ভীতি কাজ করে।

তদন্ত কর্মকর্তা ভীতিকর পরিবেশ সামলাতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সাথে যােগাযােগ করলে তিনি চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, সাভার, ঢাকা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সাভার, ঢাকা এর সাথে যােগাযােগ করে, কিছু হবেনা মর্মে আশ্বস্ত করলে তদন্তকারী কর্মকর্তাগন নিরাপদে ঐ স্থান ত্যাগ করেন। এদিকে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকগনের (জনাব মােঃ পলাশ, ইবনে মাসুদ, হাসনাত হৃদি, নাইমা বিলকিস লাকী, শেফালী আক্তার, মােঃ শহিদুর রহমান, সৈয়দা কামরুন্নাহার ও রােকসানা আক্তার) সাথে কথা বলা হয় এবং লিখিত নেয়া হয়। তারা সকলেই প্রধান শিক্ষকের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রায় একই রকম তথ্য দিয়েছেন। অনিয়ম গুলাে নিম্নরূপ:- পরীক্ষার ফিস সংক্রান্ত; প্রাক-প্রাথমিক শ্রেনীর পরিক্ষার ফিস ৩০ টাকা, ১ম ও ২য় শ্রেণির পরীক্ষার ফিস ৫০ টাকা, ৩য়-৫ম শ্রেনীর পরীক্ষার ফিস ৭০ টাকা করে নেয়া হয় যা তিনি স্বীকার করেন এবং লিখিত দেন। সমাপনী পরীক্ষার ফিস ২০০ টাকা, মডেল টেস্ট পরীক্ষার ফিস ১০০ টাকা, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির ভর্তি ফিস ১০০ টাকা, ৫ম শ্রেনির সার্টিফিকেট বাবদ ২০০ টাকা, প্রশংসা পত্র বাবদ ২০০ টাকা, নতুন ভর্তি বাবদ ১০০ টাকা, গাছ বিক্রি বাবদ ১৫০০০ টাকা, গাছ কর্তনের বিষয়ে তিনি স্বীকার করেন এবং এ বাবদ ৮০০০ টাকা তার কাছে রয়েছে বলে তিনি জানান।

যদিও গাছ কর্তনের কোন রেজুলেশন তিনি দেখাতে পারেন নি। সরকারী নির্দেশনা মােতাবেক স্লিপ এর অর্থ দিয়ে বায়ােমেট্রিক হাজিরা অন্তর্ভুক্ত করার কথা থাকলেও ইমান্দিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লিপের বাজেটে এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। স্লিপের টাকা দিয়ে বিভিন্ন কর্নার যেমন বুক কর্নার, বঙ্গবন্ধু কর্নার, মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, হােয়াইট বাের্ড ক্রয় করার কথা থাকলেও এখনও ক্রয় করা হয়নি। স্লিপের কাজ অসম্পূর্ণ। আর্থিক বিষয়ে বিগত চার বছরে বিদ্যালয়ের নামে প্রাপ্ত বরাদ্দের খরচের বিবরনী এবং রেজিস্টার দেখতে চাইলে তিনি দেখান নি এমনকি কোন তথ্য দিতেও রাজি হননি। অবিতরনকৃত বই বিক্রি এবং বিদ্যালয়ের ৩টি ল্যাপটপ নিজ বাসায় নিয়ে রাখা, ওয়ার্ল্ড ভিশন থেকে প্রাপ্ত সিক বেড নিজের বাসায় নিয়ে যাওয়া, কোন ক্লাস না নেওয়া, ফ্যান ও পুরাতন মালামাল বিক্রি করা, অধিকাংশ দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকা, বই বিতরনের সময় টাকা নেওয়া, আদায়কৃত অতিরিক্ত পরীক্ষার ফি কোথায় ও কী উদ্দেশ্যে খরচ হয় তা সহকারী শিক্ষকগন জানেন না। তদন্তকারী কর্মকর্তাগন সকল অনিয়মের সত্যতা পেয়েছেন, কোন প্রকার রেজুলেশন ছাড়াই বিদ্যালয়ের গাছ কাটা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভাবে নীতিমালা বিরােধী।

প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীকক্ষ সুসজ্জিত নয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রাক-প্রাথমিকের বরাদ্দ দিয়ে কেবলমাত্র ১টি কার্পেট ছাড়া এর কিছুই ক্রয় হয়নি। কোন শ্রেণী কক্ষেই পর্যাপ্ত আলাের ব্যবস্থা নেই, টিনশেড ভবনের কক্ষে সিলিং নেই। প্রতিটি কক্ষের পেছনেই ভাঙ্গা বেঞ্চ ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি স্তুপ করে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন বরাদ্দের খরচের কোন হিসাবই তিনি দেখাতে পারেন নি। বিদ্যালয়ের ৩টি ল্যাপটপ তিনি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য বাসায় নিয়ে গিয়েছেন, বিদ্যালয়ে আনেন না। সরকার নির্ধারিত ফি এর অনেক অতিরিক্ত টাকা তিনি শিক্ষার্থীদের নিকট হতে নিয়ে থাকেন যার কোনও ব্যয় বিবরণী রেজিস্টার পাওয়া যায় নি। বিদ্যালয়ের আলমারিতে ২০১৯ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন শ্রেনির অতিরিক্ত বই পাওয়া যায়, বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ইনােভেটিভ কাজ যেমন- সততা স্টোর, মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, বঙ্গবন্ধু কর্নার অনেক আগেই চালু করার কথা থাকলেও এখনও এসব বিষয়ে কোনও উদ্যোগ নেয়া হয়নি। বিদ্যালয়ের এসএমসি গঠনের অনুমােদিত কপি তার কাছে নেই এবং তিনি এসএমসির সভার রেজুলেশন রেজিস্টার দেখতে পারেন নি।

প্রধান শিক্ষক, ইমান্দিপুর সঃ প্রাঃ বিঃ এর বিরুদ্ধে যে অভিযােগ সমূহ উত্থাপিত হয়েছে তার জন্য অদ্যাবধি ৪টি তদন্ত সংঘঠিত হয়েছে, নিম্নে তার বিবরন দেয়া হল: (ক) উপজেলা শিক্ষা অফিস, সাভার, ঢাকা হতে গত ০৩/১০/২০১১খ্রিঃ তারিখ ১টি তদন্ত সংঘঠিত হয়েছে। (খ) বিভাগীয় উপপরিচালক, ঢাকা বিভাগ, ঢাকা কার্যালয় হতে গত ০২/০১/২০২০ খ্রিঃ তারিখ ১টি তদন্ত সংঘঠিত হয়েছে, উক্ত তদন্ত ১জন শিক্ষা অফিসার ও ১জন ইউ আর সি ইন্সট্রাক্টর কর্তৃক সংঘঠিত হয়েছে। (গ) দুর্নীতি দমন কমিশন হতে গত ০৮/১০/২০২০ খ্রিঃ তারিখ ১টি তদন্ত সংঘঠিত হয়েছে। উক্ত তদন্ত জনাব সাখাওয়াত এরশাদ, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, ঢাকা কর্তৃক সংঘঠিত হয়েছে। (ঘ) পরিচালক (প্রশাসন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা কর্তৃক গত ২৪/১১/২০২০ খ্রিঃ ০১টি তদন্ত সংঘঠিত হয়েছে। উল্লেখ্য উপজেলা শিক্ষা অফিস সাভার, ঢাকা হতে যে তদন্ত হয়েছে তার রিপাের্টের ব্যতিত অন্যান্য তদন্ত সমূহের কোন রিপাের্ট অদ্যাবধি পাওয়া যায়নি। আসলে জবাবদিহিতা বা নিয়মনীতির কোন তোয়াক্কা নেই বলেই এমনটা ঘটছে। তাই সত্যিই দেখার কেউ নেই বল্লেই চলে।

Comments

comments

Close